
মনির মোল্যা : ফরিদপুর অগ্রনী ব্যাংক হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার শাখার অফিসার রওশন আলী ও তার ভাতিজা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিরাজুল ইসলাম তুহিন মিয়া’র হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নিহতের পরিবার বর্গ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত তুহিনের বোন ড. আসমা শহীদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিকল্পিত ভাবে যুবলীগ নেতা হানিফ, হাসান গংরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে দুইজন কে হত্যা করে এবং আহত করে আরো ৮ জনকে। আহতরা বর্তমানে ঢাকাসহ ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তিনি বলেন, এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের মধ্যে অন্যতম আসামী হানিফকে আটক করা হলেও বাকিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
ইতোমধ্যে আসামীরা মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে আসছে। অবিলম্বে আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালনকরে এলাকাবাসী। এসময় বক্তব্য রাখেন কাইচাইল ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, চরযশোরদী ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান পথিক, নিহতের স্বজনরা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।
উল্লেখ, পবিত্র ঈদুল আযহার দুই দিন আগে গত ১০ আগষ্ট পূর্ব শক্রতার জের ধরে যুবলীগ নেতা হানিফ ওরফে হৃদয় ও তার সহযোগীদের গুলিতে দুই জন নিহত ও ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়।
এই ঘটনায় ১১ আগষ্ট নিহত রওশন এরভাই ও নিহত তুহিনের পিতা রায়হানউদ্দিন মিয়া ২১জনকে আসামীকরে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় পুলিশ মূল আসামী হানিফ সহ ৫জন কে আটক করেছে।
