
মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় প্রচুর পাট কাঠি উৎপাদন হয়েছে। আগের তুলনায় এবছরে এই উপজেলায় পাটকাঠি বেশি উৎপাদন হচ্ছে। তারপরেও পাট চাষীরা বাজার দরের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন পারছেন পাটকাঠি। এদিকে পাটের দাম তেমন ভাল না পাওয়ায় পাটকাঠির যত্ন নিতে হচ্ছে । টানা বর্ষণে উপজেলার কিছু কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় পাটের ক্ষতি হয়। এছাড়া পাটের দামও তুলনা মূলক কম রয়েছে। তাই পাট চাষীরা কাঠিগুলোর কঠিন যত্ন নিচ্ছেন। পাটের লোকসান পূরণ করতে অধিক মূল্যে পাট কাঠি বিক্রি করছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কাচা রাস্তাগুলো দখল করে পাট কাঠি শুকানো হচ্ছে।
এতে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও কেউ কোন বাধা দিচ্ছেন না। কারণ গ্রামঞ্চলে প্রায় সব পরিবারেরই পাট আবাদ করেছেন। তাই পাট কাঠির যত্ন নিতে রাস্তা দখল করতে হয়েছে। উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়ার গ্রামের পাট চাষি নাঈম ফকির, গট্টি ইউনিয়নের জয়জাপ গ্রামের রাশেদ মাতুব্বার বলেন, পাটের যে দাম আমরা পাচ্ছি তাতে পাট আবাদ করে আমাদের লোকসান হচ্ছে। পাটের লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নিতে বেশি বেশি করে পাট কাঠির যত্ন নিচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, এক মণ পাট বিক্রি করছি মাত্র ১৫ থেকে ১৬শ’ টাকা। আর এক’শ মোটা পাট কাঠি শুকাইয়া বিক্রি করছি ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা। প্রতিমন পাটের পিছনে সার, সেচ, নিরানি, কাটা ও আশ ছাড়ানো বাবদ খরচ হয়েছে ১৯শ’ থেকে ২ হাজার টাকার মতো। পাট চাষের খরচ উঠানোর জন্য বেশি দামে পাটকাঠি বিক্রি করতে হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোহম্মাদ বিন ইয়ামিন বলেন, পাঠ কাঠির ভাল যত্ন নিলে এগুলো বেশি দামে বিক্রি করা যায়। এতে পাট থেকে চাষিদের আরো আয় বাড়ে।
