তৈয়বুর রহমান : ভোলা দুলার হাট থানায় মাদকের নেশায় বিষাদগ্রস্ত তারই অবসাদ ঘটিয়েছেন দুই মাদকাসক্ত। তবে সংবাদের শিরোনাম পরে আসি আগে বলছি কেন এ নেশাগ্রস্ত? যখন কোন জাতি বা লোক হতাশা,ব্যর্থতা,বিষাদের গ্রাস করে অনেকেই কৌতুহলবশত মাদকের নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে।এতে শুধু তরুন সমাজেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না,সমগ্র জাতিই এক ভয়াবহ পরিনামের দিকে এগিয়ে চলছে।সর্বনাশ- এ নেশা ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে আশা আকাংক্ষা।এবার এ জাতি মাদকাসক্তি প্রতিকার চায়! আমরা আসক্তদের ফিরিয়ে আসতে পথ অবলন্বনের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।যাতে নেশাগ্রস্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি না পায় এরই ধারাবাহিকতায় দুলার হাট থানার ইনচার্জ মিজানুর রহমান পাটওয়ারীর ব্যাপক উদ্যোগে আজ(৮ মার্চ) শুক্রবার ভোলা দুলারহাট থানার নুরাবাদ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দুই মাদক ব্যবসায়ী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য আত্মসমর্পণ করেছেন। সু্ত্র জানায় আজ বেলা ১১টায় দুলারহাট থানায় এসে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা হলেন, ৮নং ওয়ার্ডের হাজী মোস্তফা হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার, একই ওয়ার্ডেল মৃত হাবিব মাজির ছেলে দুলাল মাঝি।
আনুষ্ঠানিকতার সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান , দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান পাটওয়ারী তাদের হাতে ফুল দিয়ে তাদেরকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় নুরাবাদ আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি মিজান হাওলাদারসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চরফ্যাশন সার্কেল) মিজানুর রহমান বলেন, মাদকাশক্তি দেশকে ধ্বংস করে। কেউ মাদকের আসক্ত হলে ওই পথ থেকে সরে আসতে চায় না। তারা পরিবারের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করে। সমাজকে কুলসিত করে থাকে। প্রত্যেক মাদকসেবী এবং ব্যবসায়ীদেরকে স্বাভবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানান। দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, মাদকের ব্যাপারে আমাদের কোন আপোস নেই। স্বাভবিক জীবনে ফিরে আসলে তাদেরকে সহযোগিতা করব। নচেৎ সেবক ও ব্যবসায়ী কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। সে দু‘জন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছে তাদেরকে আমরা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।এ জাতি প্রশাসনের কাছে হবে ঋণী যেদিন দেশ হতে মাদকদ্রব্য চিরতরে হবে শেষ। মাদক নামে শব্দটি হবে কল্পনার গল্প।
