এ এস কাজল : ফরিদপুর চরভদ্রাসনের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর দীর্ঘ দিনের অব্যবস্থাপনা,অনিয়ম দূর্নিতি রোধে ও চব্বিশ ঘন্টা স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে আমরন অনশনে বসেছিল সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরাব নাদিম ইতু। বুধবার বেলা এগারোটার দিকে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে অনশনে বসে ইতু, খবর পেয়ে বেলা একটার দিকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মুসা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা দাবী পূরনের আস্বাস দিয়ে পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।
ইতু বলেন চরভদ্রাসনের ছেলে আমি, উপজেলার চরাঞ্চল সহ সকলের স্বাস্থ্য সেবা শুধু মুখে মুখেই হয়।এ হাসপালে রয়েছে ডাক্তার সংকট আর যারা আছেন তারা নিয়মিত নন,নেই প্যাথলজিষ্ট, প্রায় ১৬ বছর ধরে এক্সরে মেশিন নষ্ট।কোন মৌখিক আশ্বাস না এর প্রকৃত সমাধান চাই আমরা।
অনশনের খবর পেয়ে স্থানীয় জন সাধারন ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: মোতালেব হোসেন মোল্যা ইতু দাবীর সাথে একাত্বতা ঘোষনা করে অনশনে অংশ নেয়। তিনি বলেন চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। ইতুর যোক্তিক দাবী পূরনে আমরাও তার সাথে একাত্বতা প্রকাশ করছি।
এদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরা এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তার সাথে কথা বলার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ গেলে জানা যায় প্রশিক্ষনের জন্য তিনি ঢাকা গেছেন। তখন দায়িত্ব প্রাপ্ত চিকিৎসকের খোজ করলে প্রধান অফিস সহকারী হায়দার হোসেন জানান লিখিত ভাবে কোন চিকিৎসককে হাসপাতালের দায়িত্ব দিয়ে যাননি।
বিষয়টি জানার পর গাইনী বিভাগের চিকিৎসক রেজওনা শারমীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বরনাপন্ন হন অনশন কারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সকলকে সাথে নিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খান,গাজীরটেক ইউপি চেয়ারম্যান মো: ইয়াকুব আলী।
#
