বাংলাদেশের সংস্কৃতির ঐতিহ্য, ব্যাপকতা ও বহুমাত্রিকতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র উৎসব অত্যন্ত কার্যকরী একটি মাধ্যম। চলচ্চিত্রই পারে মানুষে মানুষে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন তৈরী করতে। বন্ধু রাষ্ট্র, পরীক্ষিত উন্নয়ন অংশীদার দক্ষিন কোরিয়ার জনগণের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো গভীর করার লক্ষ্যে চলমান ‘সাংস্কৃতিক কূটনীতির’ অংশ হিসেবে সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আগামী ১১-১৩ জুন ২০১৯ তারিখে ২য় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছে। তিনদিন ব্যাপী এই বর্ণিল উৎসবে বাংলাদেশের চারটি সাড়া জাগানো চলচ্চিত্র – দেবী, আঁখি ও তার বন্ধুরা, ইতি তোমারই ঢাকা এবং আন্ডার কনস্ট্রাকশন প্রদর্শিত হবে। 
উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কোরিয়া-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারী ফ্রেন্ডশীপ এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কিম কিসন এম পি, ইয়ংসান কাউন্টির মেয়র জাং-হিয়ুন সুং। এছাড়া, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, সময় টিভির অন্যতম কর্ণধার মোরশেদুল ইসলাম এই চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনী দিনে ‘দেবী’ এবং ‘আঁখি ও তার বন্ধুরা’ – এই চলচ্চিত্র দু’টি প্রদর্শন করা হবে।সূচি অনুযায়ী বাকী দুইটি ছবিও প্রদর্শন করা হবে। উল্লেখ্য, কোরিয়ার দর্শকদের সুবিধার্থে চলচ্চিত্রগুলোতে কোরিয়ান কালচারাল এসোসিয়েশনের সহযোগিতায় কোরিয়ান ভাষায় সাবটাইটেল সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে করে বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের মূল কথা কোরিয়ান সংস্কৃতিতে সেতুবন্ধন হবে। বিপুলসংখ্যক কোরিয়ান সিনেমাপ্রেমীর পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশীরা এ উৎসব উপভোগ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন দূতাবাস কতৃপক্ষ। বলাবাহুল্য, রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সিউল দূতাবাসের উদ্যোগে দ্বিতীয় চলচ্চিত্র উৎসব সফল হবে এমনটি ভাবছেন বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।
