
মনির মোল্যা : ফরিদপুরের সালথায় নির্যাতনের অভিযোগে দেবরকে গ্রেফতার করেছে সালথা থানা পুলিশ। বুধবার তাকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার ফরিদপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধুর স্বামী বশার ও অন্যান্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
জানাগেছে, যৌতুকের দাবি ও দ্বিতীয় বিয়েতে বাধা দেওয়ায় ৪ সন্তানের জননী গৃহবধূ লাভলী বেগম (৩৩) কে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে ও মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দেবর সবুজ মোল্যা (২৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে আটক সবুজকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর আদালতে সোপর্দ করেছে।
নির্যাতনের পর স্বামী দ্বিতীয় বৌ নিয়ে পলাতক, মামলা হওয়ার পর শ্বশুর- শ্বাশুড়ীও পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। এর আগে গৃহবধূ নির্যাতনের ঘটনায় নির্যাতিত গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গতকাল বুধবার সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, গত ২৬ মার্চ রাতে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়ীয়া গ্রামে হাবিব মোল্যার বাড়িতে (গৃহবধূর শ্বশুর বাড়ি) দ্বিতীয় স্ত্রীকে ঘরে তুলতে বাধা দেওয়ায় ও যৌতুক না দেওয়ায়, ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী বশার মোল্যা (৪২) ও তার মা, বাবা ভাই মিলে গৃহবধূ লাভলীকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় স্বামী বশার মোল্যা খুন করার উদ্দেশ্যে স্ত্রীর মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাকে উদ্বার করে মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সালথা থানার (এসআই) অসিম কুমার জানান, তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে নির্যাতিত গৃহবধুর দেবর সবুজকে আটক করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। স্বামীসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
