
ঢাকার ধামরাইয়ে মো. মাসুদুর রহমান (৪৫) নামে এক সাংবাদিকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় ওই সাংবাদিকের ছেলে ও স্ত্রীসহ কয়েকজন আহত হন।
সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের সুতিপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সোমবার ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ওই ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
ভুক্তভোগী মো. মাসুদুর রহমান ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের সুতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন বাংলা টিভিতে ধামরাই উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- আব্দুর রহিম চেনু (৫৫), সোহাগ হোসেন (২৫), ইমন (২১), শুভ (২২), তুহিন (২৫), মঞ্জরুলসহ (২৩) আরও ৫-৬ জন। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধের জেরে দা, ছ্যান ও লোহার রডসহ দেশিয় অস্ত্রসস্ত্রসহ ভুক্তভোগীর বাড়িতে ঢুকে তার ছেলেকে গালিগালাজ ও তাকে রড দিয়ে আঘাত করে। ছেলের ডাক চিৎকারে তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তারাও হামলার শিকার হন। তাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে ও আহতদের হাসপাতালে পাঠায়। তবে বাড়িতে না থাকায় হামলা থেকে বেঁচে যান ওই সাংবাদিক।
মো. মাসুদুর রহমান বলেন, আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি সবসময় স্থানীয়দের পাশে থাকতেন। তাকে মুরুব্বি হিসেবে সবাই মানতেন। আমি সে সময় পেশাগত কারণে কিছুটা দূরে থাকতাম। তবে বাবার মৃত্যুর পর স্থায়ীভবে বাড়িতে বসবাস শুরু করি। বিভিন্ন সময় লোকজন আমার কাছে সহযোগিতার জন্য আসেন। এছাড়া অভিযুক্তরা সবাই স্থানীয় বিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্যাডার ও মাদকাসক্ত। এসব নিয়ে প্রতিবাদ করায় তারা আমার ওপর ক্ষুব্ধ। এ নিয়ে তারা আমাকে সরিয়ে দিতে হামলা করে। আমার সন্তানসহ পরিবারকে মারধর করে। আমি তখন বাড়ি ছিলাম না। বিষয়টি শুনে আমি পুলিশের সহযোগিতা নেই ও থানায় অভিযোগ করি।
অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হুমায়ুন বলেন, ’ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
