• শনি. এপ্রিল ১৮th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

ইতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে তৃণমূলে পৌঁছে দিতে চাইঃ দিপু

অক্টো. 6, 2019

জন্মের পর থেকে আওয়ামী লীগের জন্য যে দুটি সময়কাল দুঃসময় হিসেবে বিবেচনায় নেয়া যায় তা হলো, ৭৫ এর ১৫ই আগস্ট এর উত্তর সময়কাল এবং ১/১১ উত্তর সময়কাল। উভয় সংকটকালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে আদর্শিক কর্মীরা।

আজ আপনাদের সামনে এমন একজন আওয়ামী লীগের কর্মীর কথা বলব, যিনি ঝড় কখন শেষ হবে তা দাঁড়িয়ে না দেখে বরং ঝড়ের মধ্যে কিভাবে বেঁচে থাকতে হয় তা শিখিয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে স্বল্প বিলাসী এই মানুষটি অত্যন্ত নির্লোভ, হেঁটেছে একা, সত্য উচ্চারণে কুণ্ঠিত হননি, হয়ে উঠেছেন ইস্পাতকঠিন, ধারণ করেছেন বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে উচ্চারণ করেছেন প্রতিবাদের মন্ত্র। ডঃ হুমায়ুন আজাদের ন্যয় বলেছেন, ‘মন তুমি কথা বলো, এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয়নি’।

 

১/১১ এর সময় নবম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালীন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাথে দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি নিমিত্তে আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন। কলেজের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে খড়ি যখন নিয়েছেন, নগ্ন পায়ে ঢাকার রাজপথ স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করেছেন, হয়েছিলেন শান্ত মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি-জামাতের তাণ্ডবে যখন হাইব্রিড ছাত্রলীগ নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতেন, তখন এই নিঃসঙ্গ শেরপা লড়ে গেছেন নিজ বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ার জামাত-শিবির তথা আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

নিজ এলাকার বিএনপি-জামাতের মূর্তমান আতঙ্কের আরেক নাম জাকারিয়া দিপু। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রশ্নে কখনো আপোষ করেননি। যেখানে নব্য আওয়ামী লীগাররা ব্যবসা-বাণিজ্যের ফন্দি এটেছেন, জাকারিয়া দিপু হেঁটেছেন বিভিন্ন সামাজিক কাজে যা তাকে একজন জনহিতকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

কেননা সে বঙ্গবন্ধুর সেই অমোঘ বাণীতে বিশ্বাস করেন মনেপ্রাণে। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ”মানুষকে ভালোবাসলে মানুষও ভালোবাসে। যদি সামান্য ত্যাগ স্বীকার করেন, তবে জনসাধারণ আপনার জন্য জীবন দিতেও পারে।”

 

কয়েক মাস আগের ঘটনা, একজন সন্তানসম্ভবা মা তার কাছ থেকে সাহায্য চাইল, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক জাকারিয়া দিপু সেই সন্তানসম্ভবা মাকে নিজ খরচে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিলেন। ওই মা যখন একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিলেন, তখন ওই মেয়ের নাম রেখে দিলেন হাসিনা। মেয়ের বাবা প্রতিবেদকের কাছে খুশিতে কান্না করে দিয়েছিলেন।

 

যিনি ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের কাছে একজন আদর্শিক নেতৃত্ব। পরবর্তী জেনারেশনের কাছে গল্প বলেছেন বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু মানে স্বাধীনতা , বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ। যিনি গল্প বলেছেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারীদের কৃতিত্বের কথা। যিনি গল্প বলেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদুরপ্রসারী উন্নয়নের কথা। যিনি গল্প বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার কথা ।

 

তাই দেশরত্ন, মাদার অফ হিউম্যানিটি শেখ হাসিনার ভিশন ২১ এবং ৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে বুদ্ধিবৃত্তিক, আদর্শিক, ত্যাগী নেতাকর্মীদের অধিক হারে সমাবেশ ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনগুলোকে যুগোপযোগী করে তোলা ছাড়া বিকল্প নেই। আর সেই ইতিবাচক চিন্তার আলোকে বলতে চাই, আসছে দিন আমাদের অর্থাৎ বর্তমান প্রজন্মের যেখানে জাকারিয়া দিপুর মতো অসংখ্য ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করা ।

 

জাকারিয়া দিপুর কাছে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার জাহেদুল হক মিলুর একটি উক্তি দিয়ে বলেন, ”দলের রাজনৈতিক আদর্শই জীবনাদর্শ এবং তার দ্বারা নেতা-কর্মীর জীবন গড়ে ওঠে। ইতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে তৃণমূলে পৌঁছে দিতে চাইঃ বিপ্লবী জীবনের চেয়ে ব্যক্তিমানুষের জীবন বড় হতে পারে না। সমগ্র জীবনব্যাপী মানুষের মানবিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার চেয়ে বড় জীবন আর কি হতে পারে?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments