ছবি তুলেছেন বাদল হোসাইন। সখীপুর কালিয়া ইউনিয়ন বানিয়ার ছিট গ্রামের কৃষক ফজলুল হক আমন ধানের বীজতলা তৈরী করছেন।
“রফিকুল ইসলাম সখীপুর”
ঘনঘন বৃষ্টি-ই আমাদের জানান দিচ্ছে এখন বর্ষা কাল।বর্ষাকাল এলেই শুরু হয় আমন ধান চাষের মৌসুম।এই বৃষ্টির পানিতে বীজতলা তৈরীতে ব্যস্ত স্থানীয় আমন চাষীরা। এ আমনের চারা রোপনে জমি তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে টাংগাইলের সখীপুরের চাষীরা। তারা বীজতলা তৈরীর জন্য ইতিমধ্যে নেমে পড়েছে।তারা তাদের বীজতলা তৈরীর নির্ধারীত উঁচু স্থানে বীজের চারা উৎপাদনের জন্য কাজ করছেন।এদিকে কৃষকরা কিছুদিন আগেই তাদের উৎপাদিত বোরোধান ঘরে তুলেছেন।বেশ কিছুদিন বিশ্রাম শেষে আবারও মাঠে নেমেছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,আগাম বর্ষার পানিতে তারা আগাম বীজতলা তৈরীর জন্য মাঠে কাজ করছেন।কেউ জমির আইল কাটছে,আবার কেউ জমির আগাছা পরিষ্কার করছেন।
পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কৃষক মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস মিয়া, মোঃ সুলতান বাদশা বলেন, এবছর আমরা ১০বিঘা জমির জন্য বীজতলা তৈরী করেছি। ধান বেশি পাওয়ার জন্য উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করেছি।যেন ধান উৎপাদন বেশি করতে পারি।
অপর কৃষক শাহ আলম,আবুল কালাম জানান,আমার নিজের জমিতে যে পরিমান চারার প্রয়োজন তার চেয়ে দ্বিগুণ চারা উৎপাদন করবো।সেই চারা অন্য কৃষকের কাছে বিক্রি করে অতিরিক্ত টাকা আয় করবো।সেই টাকা দিয়ে জমিতে হালচাষ, সার এবং শ্রমিকের খরচ বহন করবো।
উপজেলার কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,গত বছর এই উপজেলার কৃষকরা ৮শত হেক্টর জমিতে চারা উৎপাদন করেছিলো।এবারও আমরা আশা করছি সেই পরিমান চারা তারা উৎপাদন করবেন।এবার আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮৫০ হেক্টর।
এব্যপারে সখীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন,উপজেলার কৃষকদের সঠিক ভাবে বীজ উৎপাদনের জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। আর্দশ বীজতলা তৈরীর জন্য সঠিক পরামর্শ দিয়েছি। এছাড়াও আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের নানান ভাবে সাহায্য এবং সহযোগিতা করে থাকি।
