মনির মোল্যা,সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবদল নেতা মাহফুজ খান। নির্বাচন সামনে রেখে তিনি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন।
মাহফুজ খান আটঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ মো. হায়দার আলী খানের ছেলে।
মাহফুজ খান বলেন, তিনি এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও কারাভোগের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মাহফুজ খানের অভিযোগ, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে প্রতিটি নির্বাচনের আগে আমার নামে একটি করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজির মামলা দেওয়া হয়েছে। যাতে আমি ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারি।’
চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তাঁর পরিকল্পনার বিষয়ে মাহফুজ খান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। সাধারণ মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। সুযোগ পেলে ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার প্রসারের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতির চর্চা বাড়িয়ে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ভূমিকা রাখতে চান।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মাহফুজ খান বলেন, ‘আটঘর ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চাই।
তবে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে এলাকার মানুষের মতামত ও সমর্থনকে গুরুত্ব দিচ্ছি।’স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে আটঘর ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ের প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান জানান দিতে স্থানীয়ভাবে গণসংযোগও করছেন।
মাহফুজ খান বলেন, ‘মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে আটঘর ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’
নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলে প্রার্থী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
