• বৃহস্পতি. সেপ্টে. ১০th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

নগকান্দায় মন্দিরের জমি উদ্ধারে মানববন্ধন, অভিযোগ সেবায়েত পরিবারের বিরুদ্ধে

সেপ্টে. 10, 2026

মনির মোল্যা, (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের নগরকান্দায় প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো পশ্চিমপাড়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মন্দিরের সাবেক সভাপতি ও সেবায়েত প্রয়াত নারায়ণ চন্দ্র মণ্ডলের তিন ছেলের বিরুদ্ধে। মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চৌমুখা পশ্চিমপাড়া সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নারী-পুরুষসহ কয়েক শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন মন্দিরের সেবায়েত ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নারায়ণ চন্দ্র মণ্ডলের নামে মন্দিরের জমির ডিসিআর করা ছিল। তার মৃত্যুর পর তিন ছেলে ওই জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, ইতোমধ্যে মন্দিরের জায়গায় গরুর খামার, খড়ের মাচাসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এমনকি জমিটি বিক্রিরও পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্দিরটির মোট জমির পরিমাণ প্রায় ৩২ শতাংশ। জমিটির মালিক জেলা প্রশাসক, ফরিদপুর। তবে দীর্ঘদিন সেবায়েত ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নারায়ণ চন্দ্র মণ্ডলের নামে ওই জমির ডিসিআর করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের দাবি।
বক্তারা বলেন, শতবর্ষের পথে থাকা এই সর্বজনীন মন্দিরের জমি মন্দিরের নামে ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। একই সঙ্গে মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনার পরিবেশ নিশ্চিত এবং মন্দিরটিকে স্থায়ী রূপ দিতে সরকারি সহযোগিতার দাবি জানান তারা।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মন্দির চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন বলেন, “বিষয়টি আমি অবগত। তবে তারা আমাদের কথা শোনেননি। আমি বিষয়টি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডিসি স্যারকে জানাবো।”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.