• বুধ. সেপ্টে. ৩০th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সাড়ে ৪ বছরেও চালু হয়নি সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভর্তিরোগী সেবা

জুলাই 13, 2025
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0;?brp_mask:0;?brp_del_th:null;?brp_del_sen:null;?module: photo; ?hw-remosaic: false; ?touch: (-1.0, -1.0); ?sceneMode: 8; ?cct_value: 0; ?AI_Scene: (6, 2); ?aec_lux: 142.0; ?aec_lux_index: 0; ?albedo: ; ?confidence: ; ?motionLevel: 0; ?weatherinfo: null; ?temperature: 40; ?

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0;?brp_mask:0;?brp_del_th:null;?brp_del_sen:null;?module: photo; ?hw-remosaic: false; ?touch: (-1.0, -1.0); ?sceneMode: 8; ?cct_value: 0; ?AI_Scene: (6, 2); ?aec_lux: 142.0; ?aec_lux_index: 0; ?albedo: ; ?confidence: ; ?motionLevel: 0; ?weatherinfo: null; ?temperature: 40; ?

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর)প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সাড়ে চার বছরেও চালু হয়নি ইনডোর স্বাস্থ্যসেবা। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে স্থানীয় রোগীরা। ইনডোর চালু হলে কাঙ্খিত সেবা পাবে এলাকাবাসী। হাসপতালে রোগী ভর্তি না করতে পারায় জেলা শহর ফরিদপুরে যেতে হয় অধিকাংশ রোগীর।

জানা যায়, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি গত ২০২০ সালের ২৪ মার্চ কার্যক্রম চালু হলেও চালু হয়নি ইনডোর স্বাস্থ্যসেবা। এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে যন্ত্রপাতি ঠিক মতো থাকলেও জনবল সংকটে রয়েছে। ইনডোর চালু না হওয়ায় সমস্ত যন্ত্রপাতি পড়ে আছে অযত্নে। ফলে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটছে মানুষ। শিশু ও গাইনী কনসালটেন্ট এবং সার্জিক্যাল চিকিৎসকের পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ দিয়ে ইনডোর চালু করলেই রোগীরা তাদের কাঙ্খিত সেবা পাবে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ৪জন মেডিকেল অফিসার থাকলেও কনসালটেন্ট হিসেবে কোন পদ সৃষ্টি হয়নি। ২৫ জনের মধ্যে এখানে রয়েছে ২১ জন নার্স, যাদের প্রত্যেকেই কর্মরত রয়েছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে আপাতত আয়া, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও ওয়ার্ডবয় হিসেবে কোন জনবল নেই।

রোগি ও স্থানীয়রা বলেন, সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনডোর চালু হলে রোগিদের ভোগান্তি থাকবে না। দ্রুত ইনডোর চালু করার জন্য আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাই।

স্থানীয় সমাজ সেবক আজাদ খন্দকার বলেন, হাসপতালে পরিপূর্ণ সেবা না পাওয়ায় খুবই ভুগান্তিতে রয়েছে সালথা উপজেলাবাসী। আমরা সরকারের কাছে জোড় দাবী জানাই দ্রুত হাসপাতালের কার্যক্রম চালু করার জন্য।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ শাহিনুল ইসলাম বলেন, ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির জনবল সংকট রয়েছে। ইনডোর স্বাস্থ্য সেবা চালু করতে আরও অনেক জনবল প্রয়োজন। ধীরে ধীরে আমরা উন্নতি করছি। প্রতিদিন ২শ থেকে আড়াইশো রোগীকে আউটডোরে সেবা দিয়ে আসছি। স্বাভাবিক পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এক্সরে করার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে এনসিডি কর্ণার চালু রয়েছে, যেখানে ডায়াবেটিক ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। তবে জনবল নিয়োগ ও ইনডোর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু হলে সালথাবাসী তাদের কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা পাবে। আশা করছি খুব শীগ্রই ইনডোর স্বাস্থ্যসেবা চালু হবে।

১৩ জুলাই ২০২৫

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.