• রবি. সেপ্টে. ৬th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

ইউপি কার্যালয়ে চেয়ারম্যান পুত্রের মারধরে জখম ছাত্রলীগ নেতা

অক্টো. 8, 2022

ঢাকার ধামরাইয়ে সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে রাসেল রাজা (২০) নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতার বাবা জালাল উদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্তরা হলেন, ইউপি চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হালিম (৪৫), আব্দুল লতিফের ছেলে আওলাদ (৩০), মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে সানাউল্লাহ (২৫), মোতালেব মিয়ার ছেলে রাজ্জাক (৩০), কলিমুদ্দিন ওরফে পচু খার ছেলে আব্দুস সবুর খান লেবুসহ (৫০) অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন। তারা সবাই ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

ভুক্তভোগী রাসেল রাজা ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের সুয়াপুর এলাকার জালাল উদ্দিনের ছেলে। সে ধামরাই সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী কর্মী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাতে সূয়াপুর বাজারের দিকে যাওয়ার পথে প্রথম অভিযুক্ত তাকে ডেকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে নিয়ে যায়। পরে হলরুম আটকে তাকে মারধর করে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। মারধরের জেরে ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেতা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা এসে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেল রাজা বলেন, হালিমের কথামতো রাজনীতি না করায় সে ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে মারধর করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

তবে মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে হালিম। তবে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়া এ বিষয়ে জানতে সুয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিনকে ফোন করে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

ধামরাই সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, বাজার থেকে ডেকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গিয়ে তাকে অমানুষিক ভাবে মারধর করা হয়েছে। মূলত রাজনৈতিক কারণেই তাকে এভাবে মারা হয়েছে।

ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের কর্মীকে মারধরের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ওসি ও এসপি স্যার অবগত। এই বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.