• শুক্র. অক্টো. ২nd, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

হত্যা মামলায় নির্দোষ দাবি নবকাম কলেজের তিন শিক্ষকের।

সেপ্টে. 1, 2020

মনির মোল্যা, নিজস্ব প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপপাত গ্রামে বাকিয়ার শেখ হত্যা মামলায় নির্দোষ দাবি করেছেন সালথা উপজেলার যদুনন্দী গ্রামে অবস্থিত নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তিন শিক্ষক। হত্যাকান্ডের সময় তারা এলাকায় ছিলেন না বলে সাংবাদিকদের জানান ওই তিন শিক্ষক। বর্তমানে তারা আদালতে দেওয়া জামিনে রয়েছেন।

এ সংবাদ সম্মেলন মঙ্গলবার সকালে কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নবকাম পল্লী বিশ^বিদ্যালয় কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক ও ওই গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দি শেখ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ষড়যন্ত্রভাবে বাকিয়ার হত্যা মামলায় আমাকে ছয় নম্বও আসামী করা হয়েছে। ঘটনায় দিন ওই সময়ে আমি কলেজের উপবৃত্তি সংক্রান্ত কাজে কলেজে উপস্থিত ছিলাম। সকল প্রমাণ কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া আছে।

একই মামলার অপর আসামী নবকাম পল্লী বিশ^বিদ্যালয় কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের প্রদর্শক ও ওই গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব আলী খান বলেন, ষড়যন্ত্রভাবে বাকিয়ার হত্যা মামলায় আমাকে চার নম্বর আসামী করা হয়েছে। ঘটনার সময় আমার ছেলেকে জামিন দেওয়ার জন্য আমি ফরিদপুরের একটি আদালতে উপস্থিত ছিলাম। যার প্রমাণ রয়েছে।

এ ব্যাপারে নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রজ্ঞিান বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন, আমি নবকাম পল্লী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও রূপাপাত গ্রামের বাসিন্দা। আমাকে হয়রানি, অর্থনৈতিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য অন্যায় ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে রূপাপাত গ্রামের বাকিয়ার হত্যা মামলায় এক নম্বর আসামী করা হয়। গত ১৯ মে তারিখে হত্যাকান্ডের ঘটনার দিন বেতনের টাকা তোলার জন্য বোয়ালমারী অগ্রণী ব্যাংক ও ডিপিএস এর টাকা জমা দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকে উপস্থিত ছিলাম। এসবের প্রমাণ ফরিদপুরের আদলাতে জমা দেওয়া আছে। বর্তমানে আমরা তিন জনই জামিনে রয়েছি। এ মামলা ছাড়াও বিভিন্ন হয়রানি করার জন্য মামলার বাদিনী বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা সকল ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি চাই।

নবকাম পল্লী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ঘটনার সময় ল্যাব সহকারি নাসিরউদ্দিন শেখ উপবৃত্তির কাজে কলেজেই ছিলেন। ঘটনার দিন ও সময় আইয়ুব আলী তার ছেলেকে জামিন করার জন্য ফরিদপুর আদালতে ও মিজানুর রহমান বেতনভাতা তোলার জন্য ব্যাংকে ছিলেন। এমন প্রমাণ তারা আমাদের কাছে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কলেজ পরিচালনা পরিষদ আলোচনা করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালকে জানানো হয়েছে।

১ সেপ্টেম্বর ২০২০

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.