• বৃহস্পতি. অক্টো. ১st, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সালথা’য় এবার বাবা-ছেলে করোনায় আক্রান্ত, মোট আক্রান্ত ৬।

জুন 1, 2020

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় এবার বাবা- ছেলে করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘন্টায় সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে কারো নমুনায় পজেটিভ আসেনি সবারই নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ অধিদপ্তর। কিন্তু ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল করোনা শনাক্ত ল্যাব সুত্রে জানা গেছে সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে বাবা ছেলের নমুনা পরীক্ষায় উভয়েরই পজেটিভ এসেছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা শনাক্ত হলো ৬ জন সুস্থ্য হয়েছে ১ জন।

জানা গেছে, গতকাল রবিবার আক্রান্ত ব্যক্তির করোনা উপসর্গ দেখা দিলে স্ত্রীও ৩ বছর বয়সের ছেলে সন্তান সহ বাবার ও নমুনা পরীক্ষা করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা শনাক্ত ল্যাব। এতে বাবা ও ছেলের করোনা ভ্ইারাসে পজেটিভ আসে এবং স্ত্রীর নেগেটিভ আসে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাবাও ছেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আক্রান্ত ব্যক্তি ঢাকায় একটি রংয়ের কারখানায় কাজ করার পাশাপাশি ফরিদপুর মোশারফ হোসেন ইজ্ঞিনিয়ারিং কলেজে অনার্স অধ্যায়নরত ছিলেন। ঈদের কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে সে। পরে গতকাল রবিবার তার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা শনাক্ত ল্যাবে তাদের (বাবা-ছেলে)র নমুনা পরীক্ষা করে পজেটিভ পায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো: ইফতেখার আজাদ জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে কারোরই পজেটিভ আসেনি। কিন্তু ফরিদপুর করোনা শনাক্ত ল্যাব থেকে নমুনা পরীক্ষা করে ৩ বছরের ছেলেসহ বাবা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের নটখোলা গ্রামে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত বাবা- ছেলে বাড়িতেই আছে। আশপাশের লোকেদের তাদের সাথে মিশতে নিষেধ করা হয়েছে।

১ জুন ২০২০

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.