• বৃহস্পতি. জুন ২৫th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সালথা’য় গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার স্বামী পলাতক।

মে 31, 2020

 


মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের শিংহপ্রতাপ গ্রাম থেকে এক গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে গৃহবধুর স্বামীর ঘর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। গৃহবধুর নাম রোজিনা বেগম (২৩)। তিনি শিংহপ্রতাপ গ্রামের হারুন মোল্লা ওরফে আশিক মোল্লার (৩০) স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, তিন বছর আগে ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের ঘোরাদা গ্রামের আঃ ওয়াহেদ মেয়ে রোজিনার সঙ্গে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের শিংহপ্রতাপ গ্রামের নুরুল ইসলাম মোল্লার ছেলে হারুন মোল্লা ওরফে আশিক মোল্লার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক বছর বয়সের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

রোজিনার বড় ভাই কাইয়ুম মোল্লা বলেন, রোজিনার স্বামী আশিক মোল্লা বেকার, বখাটে ও নেশাখোর হওয়ায় তাদের সংসারে দীর্ঘদিন যাবত অশান্তি চলছিল। কিছুদিন আগে আশিক আরও এক মহিলাকে বিয়ে করে ঘরে আনে। এ নিয়ে তাদের সংসারে বড় ধরনের ঝামেলা সৃষ্টি হয়। মাঝে মধ্যেই রোজিনাকে তার স্বামী পারপিট করতো। শনিবার রাত ১১টার দিকে আমরা খবর পেয়ে রোজিনার শ^শুর বাড়ীতে যাই। সেখানে ঘরের ভিতর রোজিনার মৃতদেহ দেখতে পাই। রোজিনার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। আমাদের ধারনা রোজিনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় রোজিনার স্বামী ও তার পরিবারের কোনো সদস্যকে বাড়ীতে পাওয়া যায়নি। তারা সবাই পালিয়ে গেছে। আমার বোনকে যারা হত্যা করেছে, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

রোজিনার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায়, তাদের কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় রোজিনার বড় ভাই কাইয়ুম মোল্লা বাদী হয়ে সালথা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, রোজিনার মৃতদেহ উদ্ধার করে, রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৩১ মে ২০২০

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.