• বৃহস্পতি. আগস্ট ২৭th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

ফরিদপুরের সদরপুরে দহন লেখকের শাস্তির দাবী করে প্রতিবাদ সভা

এপ্রিল 29, 2019

বিশেষ প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত ও এলাকার সাধারণ লোকদের রাজাকার বানানোর অপচেষ্টা করে উপন্যাস লেখার প্রতিবাদে ও লেখকের শাস্তির দাবিতে’ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার বিকেল ৫ টার দিকে সদরপুরের আকটেরচর ইউনিয়নের শোঁনপচা গ্রামের শোঁনপচা এতিমখানা ও মাদারাসা মাঠে ‘মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার জনগণ’ এর ব্যানারে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রসঙ্গত ঐ লেখকের নাম এ কে আজাদ ওরফে আবুল বরকন্তাজ (৪১)। তিনি শোঁনপচা গ্রামের মৃত হানিফ বরকন্তাজের ছেলে। আজাদ বর্তমানে সিলেটের বিশ্বনাথানর সরকারী রামসুন্দর অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

চলতি বছর বই মেলায় তার ‘দহন’ নামে একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। ওই উপন্যাসে ওই এলাকার অনেকের নাম খুঁজে পাওয়া যায় যেখানে তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবে হেয় করে রাজাকার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমনই অভিযোগ উক্ত সভার বক্তাদের।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ ব্যাক্তি রোকন উদ্দিন মোল্লা। সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বক্তব্য দেন সদরপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড এর ডেপুটি কমান্ডার মো. মহিউদ্দীন, মো. আরজান ব্যাপারি, মো. জব্বার সিকদার।
এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য দেন শেখ মোকসেদ, আব্দুল হালিম, ফজল মাজুমদার, মো. সাহাবুদ্দিন,আবুল কাশেম।

সভায় লেখকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও শাস্তি দাবী করে বক্তারা বলেন, মিথ্যা তথ্য পরিবশেন ও মনগড়া ভাবে এলাকার সাধারণ মানুষকে হেয় প্রতিপন্য করে বই লেখা হয়েছে। এছাড়াও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিকৃত করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ও এলাকার সাধারন লোকদের রাজাকার বানানোর অপচেষ্টা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কলংকিত করেছে দহন নামের এবইটিতে, বই রচনাকারী এ কে আজাদ ওরফে আবুল বরকন্তাজ।
এ ব্যাপারে দহন নামের বইয়ের লেখক এ কে আজাদ ওরফে আবুল বরকন্তাজ বলেন, আমি এলাকার কারো নাম ব্যবহার করিনি। আমার উপন্যাসে তাদের নাম কাল্পনিকভাবে মিলে যেতে পারে এ জন্য আমি দায়ী নই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.