• বৃহস্পতি. জুন ২৫th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

চরভদ্রাসনে এস আই শাহীনের এর তৎপরতায় গুম মামলার রহস্য উন্মেচন

সেপ্টে. 14, 2018

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভাইকে গুম দেখিয়ে মামলার পর গুম হওয়া হাসেম প্রামানিক(৭০) কে উদ্ধার করে রহস্য উন্মোচন করেছেন চরভদ্রাসন থানার উপ পরিদর্শক মো: শাহিনুজ্জামান। হাসেম মামলার বাদী আহন্মদ প্রামানিকের(৬৫) বড় ভাই। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টার দিকে নগরকান্দা থানার বিল গোবিন্দপুর গ্রাম হতে কথিত গুম হওয়া সেই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসন থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। এসময় তার সাথে ছিলেন উপ পরিদর্শক মো: বাকির হোসেন।

পুলিশ সূত্র হতে জানা গেছে চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের কে এম ডাঙ্গী গ্রামের আহন্মদ প্রামানিকের ছেলে সরোয়ারের(৩৫) সাথে বিয়ে হয় পার্শবর্তী চর সর্বান্দিয়া গ্রামের মনিরুদ্দীন ফকিরের মেয়ে মোন্তাহার খাতুনের(২৫)। বিয়ের আঠারো দিন পর বাহারাইন চলে যায় সরোয়ার। প্রবাসে গিয়েই তালাক নামা পাঠায় তার স্ত্রীর নামে। সুবিচার চেয়ে ফরিদপুর জেলা গ্রাম আদালতে অভিযোগ করে মোন্তাহার খাতুন। এর পর পরই মোন্তাহারের বাবা, মা ও মোন্তাহারকে আসামী করে গত ৫ এপ্রিল ৩৬৪/৩৪ ধারায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরন ও গুম মামলা করে আমন্মদ।

হাসেম প্রামানিকের সাথে কথা বলে জানা যায় দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে তার স্ত্রীর সাথে কোন সম্পর্ক নেই।তাছাড়া সে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরের বেড়য়ে জীবিকা নির্বাহ করে। প্রায় ছয় মাস ধরে সে নাটোরে ছিল। গতকালই সে নগরকান্দা ভাগ্নের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছিল। তাকে গুম করা ও মামলার ব্যাপারে জিগ্যেস করলে সে বলে অমিতো এর কিছুই জানি না।

এ ব্যাপারে আহন্মদ প্রামানিক মামলা করাটা তার অন্যায় হয়েছে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মো: শাহিনুজ্জামান বলেন “মোন্তহার খাতুনের অভিযোগের হাত হতে রক্ষা পেতে আহন্মদ এ মামলা করে থাকতে পারে। আইনী ভাবে হাসেমের জবান বন্দী নেওয়ার জন্য তাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে”।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.