মোঃ দ্বীন ইসলাম খাঁন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের বরইচারা গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষেপাকশিমুলের বরইচারা গ্রামে সংঘর্ষ, নিহত -১।সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের বরইচারা গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আজ সকালে রুকন উদ্দিন(২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
নিহত রুকন উদ্দিনের পরিচয় : নিহত রুকন উদ্দিন বরইচারা গ্রামের সাদত আলীর ছেলে।সাদত আলীর ৪ছেলের মধ্যে সে দ্বিতীয়। নিহত রুকন উদ্দিন স্ট্রিলের নৌকার মাঝি ছিল। নির্বাচন উপলক্ষে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য সে বাড়িতে আসে।
ঘটনার সুত্রপাত: ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো.এনামুল হক ও আওয়ামীলীগের বরইচারা ওয়ার্ড কমিটির
সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়ার সূত্রে জানা যায়, ৩১মার্চ রবিবার বরইচারা ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে নৌকার সমর্থক রুকন উদ্দিনের সাথে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক শিবলী ও আবু ছায়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রুকন উদ্দিনের দলবলের সাথে আবু ছায়েদের দলবলের দাওয়া পাল্টা ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার মীমাংসা জন্য গতরাতে তাদের সমস্ত গোষ্ঠীর লোকজন মাদ্রাসার ঘরে বৈঠক বসে। বৈঠকের মধ্যেই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে যায়।
এরই জের ধরে আজ সকালে ভৈরব যাওয়ার পথে ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও আলমগীরকে আবু ছায়েদের লোকজন আক্রমণ করলে দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এক ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে রুকন উদ্দিনের বুকের নীচে বল্লম বিধে যায়। তাকে সদর হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। অরুয়াইল ক্যাম্প ইনচার্জ মো.জাকির হোসেন খন্দকার রুকনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আজ (৪ এপ্রিল বৃহঃ) সকালে রুকন উদ্দিন(২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।
নিহত রুকন উদ্দিনের পরিচয় : নিহত রুকন উদ্দিন বরইচারা গ্রামের সাদত আলীর ছেলে।সাদত আলীর ৪ছেলের মধ্যে সে দ্বিতীয়। নিহত রুকন উদ্দিন স্ট্রিলের নৌকার মাঝি ছিল। নির্বাচন উপলক্ষে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য সে বাড়িতে আসে।
ঘটনার সুত্রপাত: ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার মো.এনামুল হক ও আওয়ামীলীগের বরইচারা ওয়ার্ড কমিটির
সাধারণ সম্পাদক মোমেন মিয়ার সূত্রে জানা যায়, ৩১মার্চ রবিবার বরইচারা ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে নৌকার সমর্থক রুকন উদ্দিনের সাথে ঘোড়া প্রতীকের সমর্থক শিবলী ও আবু ছায়ের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রুকন উদ্দিনের দলবলের সাথে আবু ছায়েদের দলবলের দাওয়া পাল্টা ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনার মীমাংসা জন্য গতরাতে তাদের সমস্ত গোষ্ঠীর লোকজন মাদ্রাসার ঘরে বৈঠক বসে। বৈঠকের মধ্যেই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে যায়।
এরই জের ধরে আজ সকালে ভৈরব যাওয়ার পথে ইঞ্জিনিয়ার ফারুক ও আলমগীরকে আবু ছায়েদের লোকজন আক্রমণ করলে দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এক ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে রুকন উদ্দিনের বুকের নীচে বল্লম বিধে যায়। তাকে সদর হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। অরুয়াইল ক্যাম্প ইনচার্জ মো.জাকির হোসেন খন্দকার রুকনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
