বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীর নব বিস্ময়। একুশ শতকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাপক।স্বাধীনতার আট চল্লিশ বছরে একটি উন্নয়নশীল দেশ হয়েও বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের নিকট অনন্য মডেল। ক্ষুদ্র ঋণের সুষম ব্যবহার এবং দারিদ্র দূরীকরণে চমকে দেয়া তার ভূমিকা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তন, ব্যবসা বসতি নীতি, বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান নানা বিষয়ে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।বাংলাদেশ ভেতর থেকে অনেক বদলেছে। বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। হ্যানরি কিসিঞ্জারের তলাবিহীন ঝুড়িখ্যাত এই রাষ্ট্র এখন নানা শিল্পে সংস্কৃতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রসঙ্গকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন জার্নি সাফল্য গাথাঁয় কোরিয়ার গুমিতে গ্ল্যামার বাংলাদেশের উজ্জ্বল গল্প ফুটে উঠল।

দক্ষিণ কোরিয়ার গুমি শহরে অবস্থিত গুমি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বাংলাদেশ দূতাবাস সিউলের উদ্যোগে”ডেভেলপমেন্ট জার্নি অব বাংলাদেশ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কোরিয়ার গুমির এই সেমিনারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।উক্ত অনুষ্ঠানে গুমি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি চেয়ারম্যান জু জাং মুন সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক এই সেমিনারে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন দূতাবাসের কাউন্সেলর (বাণিজ্য উইং) মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী।
পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম গুমি সিটির মেয়র জাং সিয়ং আলাদা একটি বৈঠকে মিলিত হন। উল্লেখ্য, কোরিয়ার গুমি অন্যতম বৃহত্তম শিল্প নগরী। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই এলাকায় সাঁতশত কোম্পানি আছে, এরই অধিকাংশ গুমি সিসিআই নিবন্ধিত সদস্য। উক্ত সেমিনারে, ত্রিশটি কোরিয়ান কোম্পানির পরিচালক, kotra ও গুমি সিটি কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। দূতাবাসের কাউন্সেলর মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী বলেন,এই সেমিনার বাংলাদেশে কোরিয়ান বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে,অধিকন্তু অনেকেই বাংলাদেশের বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয়েছেন।
