
ঢাকার ধামরাইয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত এক চেয়ারম্যান প্রার্থী।
রোববার বিকেলে সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদ বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন।
এসময় তার সাথে সোমভাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী সভাপতি ফজলুল হকসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আওলাদ হোসেন বলেন, ‘আগামী ১১ নভেম্বর আমাদের ধামরাই উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশ মতে যারা জনমতে এগিয়ে থাকবে এবং ক্লিন ইমেজ তারাই মনোনয়ন পাবেন। কিন্তু আমি জানতে পেরেছি আমার সোমভাগ ইউনিয়নে আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। গত দুইবারের চেয়ারম্যানকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। যিনি বিগত উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা করেছিলেন। যার কারণে আমাদের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হেরে গিয়েছেন। অপরদিকে আমি করোনাকালীন ও বন্যা পরবর্তীতে সময়ে সরকার প্রধানের নির্দেশে অসহায় মানুষদের পাশে দাড়িয়েছি। এলাকার ৮০ ভাগ মানুষ আমাকে সমর্থন করে। আমি পূর্বেও জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে থেকে নৌকার পক্ষে কাজ করেছি। এছাড়া আমি বর্তমানে একটি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। আর এখনো যেহেতু মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে তাই আমি আজ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছি।’
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা ও আমার সংগঠকদের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। সেক্ষেত্রে এখনই কিছু জানাতে পারছি না।
প্রসঙ্গত আগামী ১১ নভেম্বর ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল রাতে ১৪টি ইউনিয়ন প্রার্থী ঘোষনা করেছে আওয়ামী লীগ। সীমানা জটিলতায় একটি ইউনিয়নের বিষয় আদালতে বিচারাধীন থাকায় কোন সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
