• শনি. অক্টো. ২৪th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

ছাত্রলীগের নতুন কমিটির বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রে লিপ্ত পদবঞ্চিতরা’

নভে. 13, 2022

সদ্য কমিটি হওয়া ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির নেতাদের নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। পদবঞ্চিত দাবিকারী নেতাকর্মীদের নানা অভিযোগের বিপরীতে হচ্ছে সমালোচনাও। তবে নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা জানিয়েছেন।

রবিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে ধামরাই উপজেলার ক্যাফটেরিয়ায় বসে তার ও বর্তমান ছাত্রলীগের কমিটির বিরুদ্ধে আসা এ সকল অভিযোগের খন্ড করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের ১ নং সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আশ শাবীব।

আব্দুল্লাহ আশ শাবীব বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো তারা এনেছে সেই বিষয়গুলো আমি পরিষ্কার করতে চাই। প্রথমে বলবো ধামরাই উপজেলার কথিত ছাত্রলীগ নেতা ও তথাকথিত ধামরাই কলেজের ভিপিসহ বাকিরা মূলত নবগঠিত কমিটিকে প্রশ্ন বিদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন সময় কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমার নামে মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, আমার ও আমার বাবার বিরুদ্ধে ছাত্র-শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগসহ আমার দুই ভাই আল-সোয়ায়েব ও তাসলিম জেএমবির হয়ে অপরাধে জড়িয়ে যাবৎ-জীবন সাজা ভোগ করছে বলে অভিযোগ করছে। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যে। আমার বাবা ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ব্যাচের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী, পরবর্তীতে কালিয়াকৈরে ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। আমার বাবাকে ধামরাই উপজেলার আওয়ামী লীগের যে প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা রয়েছে তারা খুব ভালো করে চিনেন। আমরা বাবা বিভিন্ন সময় জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে লিখালিখি করেছিলেন। সেই সাথে আমার কাকা একজন সচিব। সবাই আমার পরিবার সম্পর্কে অবগত আছেন।

তিনি ২০১২ সাল থেকে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত জানিয়ে বলেন, ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাথে আমি তখন থেকেই জড়িত। ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাথে একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে এখনো আছি। আমি মূলত যে ইউনিয়ন থেকে ছাত্রলীগে এসেছি তা অনেক কষ্ঠ সাধ্য ছিলো। ২০১৪ সালে যখন জামাত-বিএনপি জালাও পোড়াও আন্দোলন করেছিলো তখন ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে আমিও ছিলাম। তাহলে আমি শিবিরের সাথে যুক্ত কিভাবে।

তার দুই ভাই জেএমবির সাথে জড়িতের বিষয়ে তিনি বলেন, আমার দুই ভাই এখন ইউরোপের জার্মানিতে আছে। তারা কিভাবে জেএমবির সদস্য হয়। আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে সব কিছু মিথ্যে।

এ সময় তিনি বলেন, ছাত্রলীগ নিয়ে যারা এখন অপপ্রচার করছে। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে হাবিব নামের একজন। তিনি কখনোই ভিপি না। অথচ তিনি ভিপি পরিচয় দেয়। ভিপি হতে হবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আসতে হবে। এছাড়া সে ধামরাই কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দাবি করেন। অথচ জেলা ছাত্রলীগের কোনো কমিটির প্যাডে তার নাম নেই। সে নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে দাবি করে তার তো ছাত্রলীগ করা মত কোনো যোগ্যতায় নেই।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর আমরা ছাত্রলীগের কমিটি পেলাম। এতো দিন যাবৎ ধামরাই ছাত্রলীগের কোনো কমিটি ছিলো না। আমরা যারা কমিটিতে আছি আমাদের সহয়তা করে তারা আমাদের পাশে থাকার কথা। অথচ তারা আমাদের নিয়ে নানা জায়গায় অপপ্রচার করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.