আমরা মধ্যবিত্ব পরিবারের সন্তান
“শাহআলম সানি”
আমরা মধ্যবিত্ব পরিবারের সন্তান।আমাদের অনেক কিছুই হিসাব করে চলতে হয়।বউয়ের হাজারো দাবি,এটা আনো ওটা আনো।সন্তানের পিছে অনেক খরচ।বাবা মায়ের ঔষধ।ছোট ভাইটার একটা চাকুরীর ব্যবস্তা।চাকুরী সেতো সোনার হরিণ,তার নাগাল কেমনে পাবো।ছোট বোনটার ভালো জায়গায় বিয়ে দেয়া।এ যুগে ভালো ছেলে পাওয়াই মুশকিল।ভালো বলতে শুধু চেহেরা সুন্দর হলেই,পাচঁ ফুট ছয় ইন্চি লম্বা হলেই তাকে ভালো বলেনা।ছেলেটার আচার ব্যবহার কেমন, নেশার সাথে জড়িত কিনা এই আর কি।সবার দাবি সবার সম্যসার সমধান করতে গিয়ে নিজের সম্যসার কথা ভুলেই যাই।সব কিছুর দাম হুু হুু করে বাড়ছে।দাম বাড়া শুধু বাংলাদেশেই না আন্তজাতিক বাজারেও সব কিছুর দাম বাড়া।সব কিছুর দাম বাড়ছে,শুধু আমরা যারা মধ্যবিত্ব পরিবারের সন্তান তাদের দাম বাড়ছে না।আমরা না পারছি চাকুরী করতে না পারছি না টুকটাক ব্যবসাা করতে।ঢাকা শহরে কিংবা গাজীপুরে দশ পনেরো হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করলে খাওয়া আর বাসা ভাড়া দিতেই চলে যায় সব টাকা।গ্রামের বাড়ির বাবা মা ভাই বোন সন্তান কি হাওয়া খেয়ে বাচঁবে।যে যুগ পড়তাছে আমাদের হাওয়া খেয়েই থাকতে হবে।ব্যবসা করতে গেলে বড় আকারের পুজিঁর দরকার,যাকে বলে চালান।চালান ছাড়া ব্যবসা হবে না।সারা জীবন আমাদের আর চালান হলো না।আমাদের মত লোকদের কেউ টাকা দিবেনা,ওরা ভাবে টাকা মেরে দিবে,আসলে তা না।আমাদের মনটা আসলে পরিস্কার,যাদের টাকা আছে তারা বুজলো না।আসলে চুন খাইয়া মুখ পুড়ছে দই দেখলে ভয় করে এই আর কি।আজ না কাল হয়তো পরশু একটা কিছু হবে এই আশায় বেচেঁ আছি আমরা।আসলে আমাদের কিছু হবেনা।যাদের আছে তাদেরি হয়,যে খাইছে তার জন্য ভাত বাড়ো আর যে খায় নাই তার জন্য রান্না করো এই অবস্তা।হাজারো কল্পনা করতে করতে পাকা রাস্তা দিয়ে মাথা নিচুঁ করে হাটিঁ,ভ্যানওয়ালা এসে বলে গাড়িতে চড়েন ভাই।ভ্যানওয়ালা ভাইতো জানেনা পকেটের কি অবস্তা।ভ্যানচালকের প্রতিদিন কামাই হাজার টাকা।আমদের কাছে পাচঁ দশ টাকা ভ্যান ভাড়াই যে অনেক কিছু কেমনে বুজাই।এখন চলাও মুশকিল।হাটেঁর দিন হাটেঁ গিয়ে ঘুরি কি কিনবো,মাছের বাজারে আগুন।গরুর মাংশ, সেতো দামের কারনে অনেক দিন খাওয়াই হয় নাই।
তবু আমরা বেচেঁ আছি।
বেচেঁ থাকতে চাই।
