চরভদ্রাসন(ফরিদপুর)প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে গৃহবধুকে গনধর্ষনের ঘটনা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা। পরকীয়া প্রেমের ঘটনা থেকে ঐ গৃহবধু এমন নাটক সাজিয়েছেন বলে জানান তিনি। গত ১৬ জুন ঐ গৃহবধু অভিযোগ করেন তাকে গোপালপুর ঘাট এলাকায় চার যুবক ডেকে নিয়ে গনধর্ষন করেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টার দিকে চরভদ্রাসন থানায় স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি এ বিষয়ে অবগত করেন।
তিনি বলেন দিনের বেলা গোপালপুর ঘাটের মত একটি জনসমাগমপূর্ন এলাকা হতে চারজন মানুষ গৃহবধুকে মুখ বেধে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষন করেছে বিষয়টি পুলিশের কাছে অসঙ্গতি পূর্ন মনে হলে পুলিশ তদন্তে নামে।পরে অভিযুক্ত শাহিনের ও অন্যান্যদের কললিস্ট যাচাই করে অভিযোগে দেওয়া বক্তব্যের সাথে মিল পাওয়া যায়নি।ঘটনার বিবরনে লিটনের ঢাকায় থেকে আসার কথা উল্লেখ করলেও সে ঐদিন তার বাড়ীতেই ছিল।আর পুলিশের কাছে কোন প্রকার ভিডিও দেয়নি। মূলত গৃহবধুর স্বামী লিটন সদরপুরের একটি ডাকাতি মামলায় দুইমাস জেলে ছিল।এ সুবদে অভিযুক্ত রাজুর সাথে ঐ গৃহবধুর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। লিটন জেল হতে জামিনে বের হয়ে বিষয়টি জানতে পারলে তাদের মাঝে দ্বন্দ চলতে থাকে।তারই জের ধরে এ ঘটনার সৃষ্টি।
পরকীয়ার বিষয়টি ঐ গৃহ বধু স্বীকার বলেন রাজুর সাথে ঐদিন গোপালপুর ঘাটে তার দেখা হয়। দুজনের কথার এক পর্যায়ে রাজু তাকে মারধোর করে চলে যায়।পরে তার স্বামী লিটন এসে তাকে নিয়ে যায়।রাজুর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে এ ধর্ষনের অভিযোগ করেন তিনি।
