
মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সহকারী একান্ত সচিব মোঃ সফিউদ্দিন সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কার্যলয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এক সম্মেলন করেন। এসময় তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ উপনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ঢাকা বিভাগের দায়িত্বরত সাংগঠনিক সম্পাদক মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এর সাথে আলোচনা করে তাদের সম্মতি নিয়ে আগামী ১৬ নভেম্বর শনিবার উপনেতার সংসদীয় এলাকা ফরিদপুর -২ এর সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারন করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে গত ৮ ও ৯ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিঃ এই দুইটি উপজেলায় উপস্থিত থেকে জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি হিসাবে সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা করেন। সেই প্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ন ভাবে দুটি উপজেলার আওয়ামীলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ইতি মধ্যে সম্মেলন বাস্তবায়নের জন্য সতেজপূর্ত ভাবে প্রস্তুতি সম্পর্ন করেছে। কিন্তু কয়েকজন বিতর্কিত লোক যারা কমিটিতে ডুকে পড়ে তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধী। যখন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আওয়ামীলীগ সভানেত্রী দলের ও সরকারের শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং প্রকৃত ও ত্যাগি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের এনে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তখনই ওই বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধীরা আতঙ্কীত হয়ে পড়েছে। তারা আগামী কমিটিতে আসতে পারবে না ভেবেই চক্রান্ত শুরু করেছে। যাতে করে সালথা –নগরকান্দায় সম্মেলন না হয়। কিন্তু তাদের এই চক্রন্ত কোন ভাবেই আমলে নিচ্ছে না স্থানীয় দুই উপজেলার আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও কেন্দ্রীয় নেতারা এবং মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নিজেও । সড়যন্ত্রকারীরা একটি ভিত্তিহীন চিঠি দিয়ে সম্মেলন বন্ধের যে যুক্তি বা কারন তুলে ধরেছে তার কোন ভিত্তি নেই। আগামী ১৬ তারিখে যথা সময় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংসদ উপনেতা ও কেন্দ্রীয় নেত্রী বৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। সংবাদ সম্মেলনে সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফকির মিয়া বলেন, বিগত ২/৩ বছরে সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন দলের কোন সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ছিলেন না। তিনি আসলে আওয়ামীলীগের কোন লোক হতে পারেন না। তিনি স্বার্থবাদী ক্ষমতার লোভে জাতীয়পার্টি ও বিএনপির সাথেও রাজনীতি করেছে এবং আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর সাজেদা চৌধুরীর সাথে হাত মিলিয়ে কমিটিতে এসেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সালথা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, দেলোয়ার সাহেব সালথায় আওয়ামীলীগের দলীয় কর্মসূচি ও ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। দলকে দূর্বল রাখার কৌশল আবলম্বণ করছে। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মেলিম মোল্যা, সহসভাপতি এমকিউ হোসাইন বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম শাহজাহান, সাংবাদিক আবু নাসের হোসাইন, মনির মোল্লা, এফ এম আজিজুর রহমান, মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ ও সংসদ উপনেতার সাবেক পিও আবুল হাসান বাবুল, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রুপা বেগম, সালথা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা খোরশেদ খান, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী জানে মারজানা চৌধূরী শারমিন, আমিন খন্দকার, যুবলীগ নেতা সোহেল মাহমুদসহস্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
