
রাজিউল হাসান পলাশঃ বন্যার্ত মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে আসুন। অনুগ্রহ করে যথাযথভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করুন। বানভাসী মানুষদের ভাবুন নিজেদের স্বজন,পরিজন হিসেবে। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আর শৈথিল্য নয় , ছুটে যান জেলা সদর থেকে বন্যা কবলিত উপজেলা, ইউনিয়নে দূর্গত মানুষদের কাছে। নিজের সরকারি দায়িত্বের প্রতি সচেতন হোন। দেশটা তো মায়ের মতো সুতরাং মায়ের সন্তান হিসেবে এই মাটির মানুষদের কল্যানে নিজেদের নিয়োজিত করুন। আপনাদের সক্রিয় কার্যক্রমের ওপরই নির্ভর করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তৃণমূলে আমাদের সরকারের সফলতা।
আকস্মিক বন্যা মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কিত টাঙ্গাইল জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কথাগুলি বলেন বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান। তিনি বলেন, সরকারের হাতে পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে, ত্রাণের কোন ঘাটতি নেই। বন্যা উপদ্রুত এলাকাগুলোতে আগাম ত্রাণ পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। প্রতিটি জেলায় ৯শ’ থেকে ১১শ’ টন চাল পাঠানো হয়েছে। ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে। সেই সাথে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা নগদ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি গবাদি পশু ও শিশু খাদ্যের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মানবিক সহায়তা ত্রাণের সঠিক বন্টন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
আজ শনিবার (২০ জুলাই) বন্যা কবলিত দেশের মধ্যাঞ্চল টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ করেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের টেপিবাড়ি এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণের মূল বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।৬টি উপজেলায় ৩৪ ইউনিয়নের ১০৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় জোরদার করা হয়েছে উদ্ধার,ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কার্যক্রম। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে আলোচনা সভা করেন।
