• শুক্র. এপ্রিল ২৪th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

জানু. 10, 2022

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের সালথায় ৬ একর জমিতে কুল চাষ করে সফল হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন খন্দকার ওয়ালিউর রহমান নাসিম মিয়া ও তার পরিবার।

প্রথম বছরে কুলের ফলনও হয়েছে ভালো। বাজারে কুলের ব্যাপক চাহিদা ও ভাল দাম পাওয়ার আশা তাদের। তাই হাসি ফুটে উঠেছে বাগান মালিকদের মুখে। এ অঞ্চলে দিন দিন বাড়ছে কুল চাষ।

৬ একর জমিতে রয়েছে সাড়ে ৪হাজার বল সুন্দরী, কাশ্মিরি আপেলসহ বিভিন্ন জাতের কুলে ভরে আছে বাগান। আর, এসব বাগান থেকে কুল কিনতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি কুল প্রকার ভেদে ৭০টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হবে।

সম্প্রতি মিয়ার গট্টি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, একটি বাগানে সারি সারি কুলগাছ। আকারে ছোট। বড়জোর চার থেকে পাঁচ ফুট। কুলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছগুলো। বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে। বাগান থেকে কুল তুলছিলেন বাগানের মালিক খন্দকার ওয়ালিউর রহমান নাসিম মিয়ার ছোট ভাই খন্দকার সিদ্দিকুর রহমান আরিফ মিয়া। এসময় উপজেলা কৃষি অফিসার জিবাংশু দাস, উপসহকারী কৃষি অফিসার আনন্দ কুমার দাস কুল বাগান পরিদর্শনে যান।

কুল চাষে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

খন্দকার সিদ্দিকুর রহমান আরিফ মিয়া জানান, আমার বড়ভাই নাসিম মিয়ার তত্বাবধানে আমি বকগান দেখাশোনা করি। চলতি মৌসুমে বারো বিঘা জমিতে উন্নতজাতের বলসুন্দরী ও কাশ্মীরি কুলের চাষ করেছি। সব কুলে তিনি বিঘাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ মণ হারে ফলন পাবেন বলে আশা করছেন। এ কুল বাগান রোপণ ও পরিচর্যায় প্রতি বিঘায় তাঁর গত এক বছরে খরচ হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হয়েছে।

বিঘাপ্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা করে কুল বিক্রি হবে। এবার লাভ কিছুটা কম হলেও আগামী বছর লাভ বেশি হওয়ার আশা করছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জীবাংশু দাস বলেন, বর্তমানে এ উপজেলায় বিঘাপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ মণ কুল উৎপাদন হয়। প্রতিবছর কুলচাষি বাড়ছে। কুল চাষে সবজির চেয়ে বেশি লাভ হয়। তা ছাড়া কুল চাষ পতিত জমিতেও হয়। এ জন্য কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষে ঝুঁকছেন।

১০ জানুয়ারি ২০২২

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments