• রবি. নভে. ৮th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

ফসলি জমির মাটি কাটা ঠেকাতে একাট্টা গ্রামবাসী

ফেব্রু. 6, 2023

ঢাকার ধামরাইয়ের বাইশাকান্দা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামে ফসলি জমির মাটি কাটা ঠেকাতে একাট্টা হয়েছে পুরো গ্রামের মানুষ।

রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মাটি কাটা চক্র ঠেকাতে প্রশাসনিক ব্যবস্থার দাবিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে চিঠি দিয়েছেন তারা।

এর আগে গত শুক্রবার, শনিবার ও রবিবার ধামরাইয়ের শিমুলিয়া ইউনিয়নের বৈষ্টবদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. নাছির উদ্দীন নিজের অনুসারীদের নিয়ে ওই এলাকায় ফসলি জমির মাটি কাটার চেষ্টা করেন। সেখানে একাট্টা হয়ে বাধা দেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী সূত্র জানায়, গত কয়েক বছর ধরে ওই এলাকায় ফসলি জমির মাটি কিনে গভীর গর্ত খুঁড়ে ইটভাটায় মাটি দিচ্ছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। মাটি কাটায় আশপাশের জমির মাটিও ভেঙে পড়ে। ফলে বাধ্য হয়ে আশপাশের জমির মালিকরাও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এ বছরও এরকম একটি জমি কিনে শ্রমিক ও ভেকু নিয়ে মাটি কাটতে গিয়েছিল নাছির। সেখানেই এলাকাবাসী বাঁধা দেয়। গত ৩ দিন ধরে এভাবে জমি আগলে রাখার পর অবশেষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে চিঠি দিয়েছে গ্রামবাসী।

বাগমারা গ্রামের কৃষক আল মামুন বলেন, এই চকে আগেও নাছির জমি কিনে গভীর গর্ত খুঁড়ে মাটি কেটেছে। এতে আশপাশের জমির মাটিও ভেঙে পড়ে। এজন্য তারাও মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হয়। এ বছর যে জমি কিনেছে সেটা একেবারে চকের মাঝখানে। এটার মাটি কাটলে আশপাশের ফসলি জমির মাটিও ভেঙে পড়বে। তাই এলাকাবাসী বাঁধা দিয়েছে। আমরা আমাদের জমি রক্ষায় নেমেছি। এজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি।

বাইশাকান্দা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন বলেন, এলাকার কৃষকরা জমি রক্ষায় প্রতিবাদ করছেন। কারণ একটা জমির মাটি কাটা হলে অন্য জমিগুলো হুমকির মুখে পড়ে যায়। কৃষি জমি না বাঁচলে তারা খাবে কি?

বিষয়টি নিয়ে জানতে মুঠোফোনে কল ও মেসেজ পাঠালেও অভিযুক্ত মো. নাছির উদ্দীন কোনো সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুল হাসান বলেন, গতকাল এ বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছি। আমরা সরেজমিনে গিয়ে দেখবো। ফসলি জমির মাটি কাটা হলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.