• শনি. আগস্ট ২৯th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সালথা’য় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ধর্ষনের চেষ্টায় দুইজন গ্রেফতার!

অক্টো. 21, 2019

 

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:   ফরিদপুরের সালথায় ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২০ অক্টোম্বর রোববার দুপুরে উপজেলার কানাইড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পেয়ে সালথা থানা পুলিশ রোববার রাতে বিদ্যালয়ের দপ্তরী সুজন শেখ ও তার বন্ধু সোহাগ খলিফা কে গ্রেফতার করেছে। এ ব্যাপারে দুই জনকে আসামী করে শিক্ষার্থীর চাচা বাদী হয়ে সালথা থানায় মামলা দায়ের করেছে। শিশু শিক্ষার্থী বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মামলা সুত্রে জানাগেছে রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে শিশু শিক্ষার্থী মাঠে খেলা করছিল। এসময় কানাইড় গ্রামের কুদ্দুস শেখের পুত্র অত্র বিদ্যালয়ের দপ্তরী সুজন শেখ (২৪) ও তার বন্ধু তেগাতিয়া গ্রামের মতিন খলিফার ছেলে সোহাগ খলিফা (১৮) শিশুটিকে ফুসলিয়ে বিদ্যালয়ের পুরাতন পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে দপ্তরী সুজনের সহযোগীতায় তার বন্ধু সোহাগ শিশুটিকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। শিশুটি যন্ত্রনায় চিৎকার করলে শিশুটিকে ছেড়ে দিয়ে দুইজনই পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি বাড়ীতে গিয়ে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এ সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় অভিভাবকেরা তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ রাতেই দুইজনকে গ্রেফতার করে। সোমবার সকালে শিশুটির চাচা বাদী হয়ে দুই জনকে আসামী করে সালথা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৬ তারিখ ২১/১০/২০১৯।

এ ঘটনায়,কানাইড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার দিন আমি ছুটিতে ছিলাম। খবর পেয়ে স্কুলে এসে অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করেছি তারাও এ ব্যাপারে কিছু জানেন না। বিদ্যালয়ে দায়িত্ব থাকা সহকারী শিক্ষক আক্তার জাহান বলেন, স্কুলে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। সাড়ে ১২ টা থেকে ক্লাস শুরু হয়ে সোয়া ৪ টা পর্যন্ত ক্লাস চলাকালে আমার জানা মতে এ বিদ্যালয়ে এ ধরনের কোন কর্মকান্ড ঘটেনি। বিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষিকা আমেনা বেগম বলেন, স্কুল ছুটি হওয়ার পর মেয়েটি আমার সাথে স্কুল থেকে বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছে মেয়েটি আমার কাছে এ ধরনের ঘটনার কথা জানায়নি। বিদ্যালয় চলাকালিন সময়ে এধরনের ঘটনা কি করে সংগঠিত কি হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান তিনি জানান, বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ি এ ধরনের কোন ঘটনা এখানে ঘটেনি। তিনি আরও জানান, তবে যদি এধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সালথা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, অভিযোগ পেয়ে দুই আসামীকে গ্রেফতার করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করেছি।

২১ অক্টোবর ২০১৯

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.