মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭১ বছর পূর্ণতায় শ্রদ্ধার ফুলে ভরে উঠছে দেশে এবং দেশের বাইরে শহীদ মিনারগুলো। ইতালির রোমে লার্গো বাংলাদেশ চত্তরের পাশে কেন্দ্রীয় স্থায়ী শহীদ মিনার ও রোমের লার্গো প্রেনেসতে সংলগ্ন বাংলা পার্কে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মান করে অসংখ্য প্রবাসী ভাষা শহীদদেরকে সম্মান জানান। বিশ্বের ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজের ভাষা ও সংস্কৃতি তুলে ধরার অনুপ্রেরণার উৎস যেন এখন অমর একুশে। তবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির যথাযথ চর্চা ও সংরক্ষণে আরও যত্নবান হতে হবে বলে মনে করেন ইতালি প্রবাসীরা।
প্রাঙ্গণে হাজরো প্রবাসী কৃতজ্ঞচিত্তে শ্রদ্ধা জানায় যাঁদের রক্তের বিনিময়ে বাঙালির ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, সেই সব শহীদের। বাংলাদেশের সাথে মিল রেখে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ইতালিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মো: শামীম আহসান সহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তারা।
এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। একে একে রাজনৈতিক, সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আরেক দিকে বেজে চলে একুশের গান। বিশ্বের ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের নিজের ভাষা ও সংস্কৃতি তুলে ধরার অনুপ্রেরণার উৎস যেন এখন অমর একুশে
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা লাভ শুধু বাংলা ভাষার বিশ্ববিজয় নয়; পৃথিবীর সব মাতৃভাষার বিজয়। আর তাই তো রোমের লার্গো প্রেনেসতে সংলগ্ন বাংলা পার্কে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মান করে অসংখ্য প্রবাসী ভাষা শহীদদেরকে সম্মান জানান।
বাংলাদেশ সমিতি, ঢাকা জেলা সমিতি, হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বে ও মনিরুজ্জামান মনির সহযোগিতায় মাদারীপুর জেলা সমিতি, গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, সন্দীপ জেলা সমিতি সহ বিভিন্ন সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, বাংলা ভাষা বলার অধিকার যারা ছিনিয়ে এনেছিলেন। এছাড়াও অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেস ক্লাব ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ইতালির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের সম্মান জানান।
মাতৃভাষা আন্দোলনের ৭১ বছর পূর্ণ হলো আজ। শ্রদ্ধার ফুলে ভরে উঠছে দেশে এবং দেশের বাইরে শহীদ মিনারগুলো। তবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির যথাযথ চর্চা ও সংরক্ষণে আরও যত্নবান হতে হবে বলে মনে করেন ইতালি প্রবাসীরা।
