
রাজিউল হাসান পলাশঃ ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনে টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে টাকার লেনদেনের সময় হাতেনাতে ধামরাই ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেন লায়েক আলীর দুই কর্মীকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এঘটনায় একজনকে ০৫ দিনের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৪ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ধামরাই ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইসমাম।
কারাদণ্ড প্রাপ্ত সুদিপ্ত মিত্র ধামরাই পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর জাকির হোসেন চৌধুরীর কর্মী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধামরাই ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া মহল্লায় প্রকাশ্যে ভোট কেনার অসৎ উদ্দেশ্যে বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব জাকির হোসেন লায়েক আলীর(টেবিল ল্যাম্প প্রতীকের) পক্ষে সুদিপ্ত মিত্র ও মিঠু সূত্রধর নামের দুইজন সমর্থক টাকা দিতে থাকে। এসময় উপস্থিত জনতা তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। এঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করলে দ্রুত পুলিশ নিয়ে হাজির হন দায়িত্বরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম ইসমাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের রিকুইজিশন মোতাবেক আমি ও জনাব ইসতিয়াক আহম্মেদ পৌর নির্বাচনে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনের জেলা প্রশাসন থেকে ১৪ দিনের জন্য নিযুক্ত হয়েছি। সেই দ্বায়িত্বের নিয়মিত টহলে আজ জানতে পারি যে, ধামরাইয়ে ৫ নং ওয়ার্ডে সুদিপ্ত মিত্র নামের এক ব্যাক্তি অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। সুদিপ্ত মিত্র অর্থ দিয়ে শাড়ি কিনে দেওয়া বিনিময়ে একজনকে ভোট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সেই ভোটার বিষয়টি আমাদের কাছে স্বীকার করেছে। ‘
তিনি আরও বলেন, এই অপরাধে সুদিপ্ত মিত্রকে আমরা পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছি। এবং তার বিরুদ্ধে এই মুহুর্তে জেল ওয়ারেন্ট দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
