
করোনা ভাইরাস সৃষ্ট বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে আটকে পড়া প্রবাসিদের ইতালিতে ফিরিয়ে আনতে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান ডিপ্লোম্যাটিক পর্যায়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তারই প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান গতকাল (১০ জুন ২০২১) ইতালির স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ডিপ্লোম্যাটিক এ্যাডভাইজার রাষ্ট্রদূত দাভিদে লা চেচিলিয়া (H.E. Davide La Cecilia)-এর সাথে টেলিফোনে কথা বলেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় কোভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়ান্ট চিহ্নিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার (আপাততঃ ২১ জুন ২০২১ পর্যন্ত) প্রেক্ষাপটে আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়। টেলিফোনে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত আহসান বাংলাদেশে আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের দুর্দশা ও নিয়োগকারী ইতালিয়ানদের ব্যবসায়ে ক্ষতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন । একই সাথে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত ত্বরিৎ ব্যবস্থার কারণে কোভিড পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি সবিস্তারে উল্লেখ করনে এবং আটকে পড়া বাংলাদেশিদের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ইতালিতে প্রবেশের ব্যবস্থার জন্যে বিশেষ অনু্রোধ জানান।
রাষ্ট্রদূত চেচিলিয়া অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য শোনেন এবং সিদ্বান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আন্তরিক আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ দূতাবাস সাম্প্রতিকতম ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা/অধ্যাদেশ (৩০ মে ২০২১) জারীর অব্যবহিত পর থেকেই এক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে একটি বিশেষ ব্যবস্থা/উপায় খুজে বের করার জন্যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও ইতোঃপূর্বে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক পত্র দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ঢাকাস্থ ইতালিয়ান দূতাবাসের সাথে এক্ষেত্রে যোগাযোগ রেখে চলছে।
বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা আন্তরিকভাবে অনুধাবন করে এবং কোভিড-১৯ সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যেও এক্ষেত্রে একটি সমাধান বের করার ক্ষেত্রে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছে।
এছাড়াও ইতালি এবং বাংলাদেশ সহ সকলকে সুস্থ্য ও নিরাপদ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন।

