সাংবাদিক এম এ আউয়ালের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ
বিশেষ প্রতিবেদন:
নোয়াখালী সেনবাগ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গ্রাহকদের বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার লক্ষ্যে পিলার বসানোর জন্য কাজ শুরু হয়েছে সে কাজের বাধাদান ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে সাংবাদিক এম এ আউয়ালের বিরুদ্ধে । এরপর আরো অনেক অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উঠে এসেছে।
পল্লী বিদ্যুৎ এর পরিচালক আশরাফুল আলম রানা এসব অভিযোগ সাংবাদিক এম এ আউয়ালের বিরুদ্ধে করেন।
আশরাফুল আলম রানা বলেন’-“সেনবাগ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গ্রাহকদের বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার লক্ষ্যে ফিলার বসানোর জন্য কাজ শুরু হয়েছে সে কাজের আশেপাশে যদি কোন ধরনের লাইন নিতে কোন সমস্যা হয় তাহলে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকল ধরনের গাছপালা অপসারণ করে বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেনবাগ ছয়বাড়ীয়া কার্লভাট হইতে কাদরা হামেদিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে অনেকগুলি বড় বড় গাছ লাগানো আছে, তাতে বিদ্যুতের খুঁটি লাগানোর জন্য কোনো প্রকার সুযোগ না থাকায় গাছ কাঁটার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অনুমোদন দিয়েছে, তখন একপর্যায়ে সাংবাদিক আউয়াল গাছ কাঠতে বাধাদান করে, এমন কি যাদের বাসায় বিদ্যুৎ এর সংযোগ দিতে পিলার বসানোর জন্য কাজ করে তাদের নিকট ৫০০০০/ টাকা চাঁদা দাবি করে। এমন কি সে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসে।
এমন কি উনি বার বার আমাকে কে চাঁদার জন্য বলে তাদের নিকট হইতে টাকা নিয়ে দিতে।
একপর্যায়ে সরকারি কাজে বাধা দে এমন কি আমাকে গালমন্দ করে।”
একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে এ নিয়ে তর্ক বিতর্ক হয়। পরবর্তীতে সেনবাগ পৌর সভার মেয়র আবু জাফরের মধ্যস্থতায় আউয়াল এর বাসায় গিয়ে ব্যাপারটা মীমাংসিত হয়।
কিন্তু আউয়ালের ছেলে ব্যাপারটা নিয়ে অতি বাড়াবাড়ি করে ফেসবুকে বিভিন্ন রকমের আপত্তিকর স্ট্যাটাস দিচ্ছে”-বলে আশরাফুল আলম রানা নানা অভিযোগ করেন এবং বলেন-
আউয়ালের ছেলে নিশাদ তার ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়- “ঘটনার দিন ১৭ই জুলাই শনিবার রাত ১০ টায় সেনবাগের পৌর মেয়র আবু জাফর টিপুর নেতৃত্বে আমাদের বিল্ডিং এ এসে বার বার মাফ চাইলেন।”ঘটনা নিষ্পত্তি হওয়ার পরও এই উস্কানিমূলক কথা তার ছেলে বলে যাচ্ছে।
সাংবাদিক আউয়াল এর বিরুদ্ধে আশরাফুল আলম রানা আরও অভিযোগ করেন”- এই সাংবাদিক আব্দুল আওয়াল সেনবাগ প্রেসক্লাবের দীর্ঘ 20 বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি মূলক নিউজ করে টাকা আদায় করে নেয় বলে নানান মানুষ অভিযোগ করেন এবং ৬/৭ জন সাংবাদিকদেরকে জিম্মি করে সেনবাগ প্রেসক্লাবে সেনবাগের অন্য কোন সাংবাদিকদেরকে সদস্য করানো হয় না। এই সেনবাগ প্রেসক্লাব শুধুই কি ৬/৭জনের সাংবাদিকদের ক্লাব ? প্রশ্ন অন্য সাংবাদিকদের।এখন সেনবাগে প্রায় একশর উপরে সাংবাদিক আছে। তারা কোথায় যাবে ?তাদেরকে প্রেসক্লাবের সদস্য করানো হয় না। একমাত্র আউয়াল এর কারণে তাঁর পদবি টিকে রাখার জন্য অন্য কোনো সাংবাদিককে এখানে সদস্য করানো হয় না বলে অভিযোগ উঠেছে।। রাত পর্ষন্ত সাংবাদিক আউয়াল এর সাথে মোবাইল ফোন এ যোগাযোগ এর চেষ্টা করা হলে ও উনি ফোন রিসিভ করেনি।।।
