সখীপুরে চাচিকে পেটালো ভাতিজা
নিজস্ব প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুরে ছাগলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলায় চাচিকে পিটানোর অভিযোগ উঠেছে ভাতিজা রউফ খানের বিরুদ্ধে। এঘটনায় তিনদিন ধরে সখীপুুুুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন চাচি হেলেনা বেগম (৪২)। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কালিদাস ফুলঝুড়ি পাড়া এলাকায় এ মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে শনিবার বিকেলে মতিয়ার খানের ছেলে রউফ খান (৩৫)এর বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন হেলেনার মা জরিনা বেগম।
জানাযায়, বাড়ির পাশে বাদাম ক্ষেতে মাঝেমধ্যেই ভাতিজা বউয়ের ছাগল এসে ফসল নষ্ট করে। এনিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ভাতিজা বউয়ের সাথে দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। তার কিছুক্ষন পর ভাতিজা রউফ খান চাচার বাড়ির গেইট ভেঙ্গে চাচি হেলেনাকে লাঠিপেটা করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এসময় প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে হেলেনাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এ নিয়ে হেলেনা বেগম বলেন, আমার বাদাম ক্ষেতে মাঝেমধ্যেই ভাতিজা বউয়ের ছাগল গিয়ে বাদাম গাছ নষ্ট করে। ভাতিজা বউকে ছাগল বেঁধে রাখতে বললেই আমার সাথে উচ্চবাচ্চ্য করে। তার কিছুক্ষণ পরে ভাতিজা রউফ আমার বাড়ির গেইট ভেঙ্গে বাড়িতে ঢুকে আমাকে লাঠিপিটা করে। এক পর্যায়ে ছুড়ি দিয়ে হত্যা করতে আসে। আমার চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে রউফের হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে আমার মা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে।
অভিযুক্ত রউফ খান বলেন, আমার স্ত্রীর সাথে চাচি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে আমার মাথা ঠিক ছিলোনা। তাই একটু ঝগড়া হয়েছে। তারপরেই চাচরি কাছে গিয়ে আমি ক্ষমা চেয়েছি।
সখীপুর থানার এসআই মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, জমাজমা নিয়ে চাচি ভাতিজার মধ্যে মারামারি হয়েছে। চাচি তিনদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলো। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
