
রাজিউল হাসান পলাশ : এবারের অমর একুশে বইমেলায় কথাসাহিত্যিক ও গল্পকার বাংলাদেশ পুলিশের সার্জেন্ট শরিফুল হাসান শিশিরের চারটি বই পাওয়া যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের গৌরব অন্তরে প্রতিষ্ঠা ও শেখ মুজিব সম্পর্কে সকলের মাঝে জানাতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লিখা “বঙ্গবন্ধুর শৈশব কৈশোর ও শিক্ষাজীবন “। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহতদের জীবনী নিয়ে লিখা ‘রক্তাক্ত ১৫ আগস্টের শহিদেরা’। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান নিয়ে লিখা “মুক্তির আলো” ও ” ২৬ শে মার্চ যারা ভোর এনেছিল”।
বইগুলি বের করেছেন সিলেটের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জসিম বুক হাউজ ও ত্রয়ী প্রকাশন। প্রত্যেকটি বইয়ের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। বইগুলি পাওয়া যাচ্ছে ঢাকার অমর একুশে বইমেলার ত্রয়ী প্রকাশনীর স্টলে (স্টল নং ৪৩৫-৩৬) ও সিলেট বইমেলার জসিম বুক হাউজ প্রকাশনীর স্টলে। অনলাইনে কিনতে চাইলে পাওয়া যাবে রকমারি ও বইবাজারে।
বইগুলি সম্পর্কে লেখক বলেন, বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় গ্রন্থের নাম শেখ মুজিব।বাঙালি জাতির বিস্ময়কর, অপূর্ব আবেগের নাম শেখ মুজিব। এই মুজিবকে না পড়লে, এই মুজিবের একজীবনকে না জানলে বাঙালীর অতৃপ্তি রয়েই যাবে। মুজিব পাঠ ভিন্ন বাঙালি জীবন কখনোই সম্পূর্ণ হয় না, খেদ থেকেই যায়, আকাঙ্ক্ষার রাত্রিতে ভোর নামে না।বাঙালি হিসেবে নিজেকে চিনতে হলে, নিজের শেকড় জানতে হলে, নিজের মা, মাটি আমাদের সাহস, দ্রোহ, বিপ্লব আর সংগ্রামের প্রেরণার জন্য, মুক্তিযুদ্ধের গৌরব আর শৌর্যকে অন্তরে প্রতিষ্ঠার জন্যও শেখ মুজিবকে অধ্যয়ন জরুরি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমার বই “বঙ্গবন্ধুর শৈশব কৈশোর ও শিক্ষাজীবন ”
পুলিশী জীবন কেমন?কেমন আছে পোশাকের ভিতরের মানুষগুলো?পুলিশেরও আছে স্বপ্ন,আছে সুখ-দুঃখ।দিনশেষে তাদের প্রাপ্তি নিয়ে ও মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান নিয়ে আমার বই “মুক্তির আলো”।
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে বাংলাদেশ পুলিশ।মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান অনেকেরই অজানা।যে কারনে ২০১১ সালে বাংলাদেশ পুলিশকে দেয়া হয় স্বাধীনতা পদক। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান নিয়ে আমার বই ” ২৬ শে মার্চ যারা ভোর এনেছিল”।
বাঙালি জাতির ইতিহাসে জঘন্যতম এক কলঙ্কের দিন ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট। এদিন মধ্যরাতে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতিসত্তার মুক্তির রূপকার, স্বাধীনতার রচয়িতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে কুচক্রীর দল। ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই একটানা চেষ্টা চলে বঙ্গবন্ধুকে ভুলিয়ে দেয়ার। পাঠ্যপুস্তক থেকে মুছে ফেলা হয় বঙ্গবন্ধুর নাম। সেদিনের ঘটনায় নিহতদের জীবনি নিয়ে আমার বই।যেখানে ১৫ আগস্টের অজানা অনেক কিছুই সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।সেদিন ধানমন্ডি ৩২ শে ঘাতকদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলে বাংলাদেশ পুলিশ।২৫৯ রাউন্ড ফায়ারিং করা হয়।জীবন দেয় এএসআই সিদ্দিকুর রহমান ও আহত হয় ডিএসপি নুরুল ইসলাম খানকে।স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু, সেরনিয়াবাত ও শেখ মনির পরিবারকে হত্যা করা হয়।ঘাতকদদের বাচানোর জন্য করা হয় ইনডেমনিটি আইন ও যাচ্ছেতাই ভাবে তাদের কবর দেয়া হয়। ১৫ আগস্ট নিয়ে আমার বই “রক্তাক্ত ১৫ আগস্টের শহিদেরা”।
