মনজুরুল হক (ধামরাই)
বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিন দিনের অবরোধের ২য় দিনে ধামরাইয়ে ঢিলেঢালাভাবে পালিত হয়েছে। রাস্তায় দূরপাল্লার পরিবহনের পরিমাণ কম হলেও লোকাল বাস ও তিন চাকার যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক ছিল ।
অবরোধ পালনে আজ রাস্তায় বিএনপি ও জামায়াতের কোন নেতাকর্মীদের দেখা যায়নি। এমনকি কোথাও কোনো অঘটনের সংবাদ শোনা যায়নি।
তবে ধামরাই উপজেলার সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সতর্ক অবস্থায় ধামরাই থানার সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বুধবার (১ নভেম্বর) ভোর থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত উপজেলায় এমনই চিত্র দেখা গেছে।
ধামরাই উপজেলার মোঃ খোকন হোসেন নামে এক সংবাদকর্মী জানান, ধামরাইয়ে বিএনপির ডাকা অবরোধে ২য় দিনে কোনো প্রভাব পড়েনি। প্রতিদিনের মতোই সব ধরনের যানবাহন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ছিল প্রতিদিনের মতো। বাজারঘাটও ছিল খোলা।
ধামরাই পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রামপ্রসাদ দাস নামে এক ব্যক্তি বলেন, নিত্যদিনের মতোই স্থানীয় যানবাহন চলাচল করছে। রাস্তায় বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। তবে সবার মধ্যেই একটি চিন্তার ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। আমি আজ কাঁচাবাজার করতে গিয়ে দেখি সব ধরনের পণ্যের বেচাকেনা ছিল স্বাভাবিক। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর সংবাদ ও শোনিনি অবরোধ পালিত হতে ও দেখা যায়নি।

তবে হরতাল-অবরোধের প্রতিবাদে আজ দুপুর ১২টার দিকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আহাম্মদ আল জামান (সিআইপি) এর বাসভবন থেকে ওই মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের হয়ে পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা থেকে বিএনপি-জামায়াতের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, হরতালে যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতার চেষ্টা করা হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
প্রসঙ্গত অবরোধের প্রথম দিনে স্কুল পরিবহনের বাসসহ দুটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশ।
