আবুল ফজল মাস্টার কোন নাম নয় তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সফল সংগঠক ও সাধারণ মানুষের প্রিয় নেতা। শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ এই সাবেক সফল বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, ডোমসার তথা শরিয়তপুরের প্রিয় নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল ফজল বতর্মানে অসুস্থ্য, তার দ্রুত সুস্হ্তার জন্য দেশে বিদেশে দোয়া কামনা করা হচ্ছে। সকলের প্রত্যাশা মহান আল্লাহ এই সাদা মনের মানুষটাকে দ্রত সুস্থ করে তোলবেন।
উল্লেখ্য আবুল ফজল স্যার এর রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনী ১৯৬৪ সালে মাদারীপুর ইউনাইটেড হাই স্কুলের পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের আহব্বয়ক । এর পর ৬ দফা আন্দোলনের কারনে কারাগারে যেতে হয় ১৯৬৫-৬৭ সালে মাদারীপুর মহকুমা শাখার পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক। ১৯৬৯ সালে ঢাকায় মিরপুর থানা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নির্বাচিত আহ্বায়ক। ১৯৭০ সালে পালং থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আওয়ামী সেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান ১৯৭০ সালে ডাঃ আবুল কাসেম(এম.এন.এ)এর নির্বাচনী জন সভায় পালং থানার সুবচনী যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হয়ে মাদারী পুর কারাগারে যেতে হয়। ১৯৭১ সালে পালং থানার পাশ্বর্বতী এলাকার যুবকদের সংগঠিত করে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষনের জন্য ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেঘাঘর ক্যাম্পে বেশ কয়েক ব্যাচ পাঠান এবং সে নিজেও পরে চলে যান দেরাদুন ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধের ট্রেনিং নিয়ে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ কর্তূক পালং থানার মুজিব বাহিনী প্রধান হিসাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
তৎকালিন পাক সরকার আমার সহোদয় ভাই রজব আলী নামে হুলিয়া জারী করে এবং তার বাবা মা ভাই বোন পাড়া প্রতিবেশীদের উপর ভিষন অত্যাচার করে। ১৯৭২সালে(৭১—৭২) পর্যন্ত মাদারীপুর মহকুমার আওয়ামীলীগের কৃষি সম্পাদক ১৯৭২ সালে পালং থানার বেসামরিক প্রশাসনের লিগ্যাল ত্র্যাডভাইজার নিযুক্ত হন।
১৯৭২, ১৯৮৪. ১৯৮৮ সালে পর পর তিন বার অত্র জেলাধীন ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসাবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পূর্ব জার্মানিতে ভ্রমণ করে বিশেষ প্রশিক্ষন নেন। ১৯৭৮, ২০০৩ সাল পর্যন্ত ৪ বার শরীয়তপুর জেলার আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন এই নেতা। এই সময় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন (১) ডাঃ আবুল কাসেম (২) আবিদুর রেজা খান (৩) শওকত আলী এম পি (৪)আঃ রব মুন্সি ১৯৭৬ সালে জুলাই হতে ১৯৭৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফরিদপুর কারাগারে ডিটেনশনে প্রায় আড়াই বৎসর ওবায়দুল কাদের ও হারুন মোল্লার সাথে ফরিদপুরে কারাভোগ করি। রাজনৈতিক কারনে অহেতু সিরাজ সরদার ও ইদ্রিস আলী মাস্টার হত্যা মামলায় এবং ২০০২ সালে বি এন পির রোশাণলে পরে ডোমসার ভতাইসার তিন মার্ডার মামলায় জেলে যেতে হয়।
এত অত্যাচার ও দু:সময়েও ১৯৬৫ সাল থেকে দল পরির্বতন করেননি, আর করবেনও না মৃত্যু পর্যন্ত একথা আগেই জানিয়েছেন। ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুর আগরতলা ষরযন্ত্র মামলা পরিচালনার জন্য সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী আঃ রাজ্জাক এবং আমির হোসেন আমু ভাইয়ের মাধ্যমে চাদা তুলে ৪০৬ টাকা বেগম মুজিবকে দিয়ে আসেন। ১৯৮৮ সালে আবুল ফজল মাস্টারকে দূর্বল করার জন্য তারই ছোট ভাই মুক্তিযোদ্ধা রজব আলী এবং তার বন্ধু এনায়েতকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০৯ সালে শরীয়তপুর উপজেলার চেয়ারম্যান হিসাবে ২৫/০৩/২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে কর্ম দক্ষতা সততা নিষ্ঠা দেশ প্রেমিক ও মূক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।।
