
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইমারত হোসেন পিকুল মোল্যা এলাকায় দীর্ঘদিন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ বিস্তার। প্রশ্ন উঠেছে, এই সন্ত্রাসী পিকুলের খুটির জোড় কোথায়?
ঘটনার প্রকাশে জানা গেছে, পিকুল দীর্ঘ দিন যাবৎ সালথা উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। জমি দখল, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্নধরনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে কোন আইন তোয়াক্কা করে না, স্থানীয় প্রশাসনকে হুমকি-ধামকি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্নধরনের ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো চেষ্টা করে এই পিকুল মোল্যা।
গত ৫ই এপ্রিল সালথা উপজেলা পরিষদে, থানায়, ভূমি অফিস ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভয়াবহ তান্ডবের অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় ৫টি মামলা হয়। উক্ত মামলার আসামী এই ইমারত হোসেন পিকুল মোল্যা। এর মধ্যে একটি মামলার বাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের এক সহকারী। এরপর পিকুল মোল্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিব সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাতে থাকে। এই অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল দাবি করেছেন, এই পিকুল মোল্যাকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনলে এই ভয়াবহ হামলার অনেক ঘটনা বেড়িয়ে আসবে।
এ ব্যাপারে পিকুল মোল্যা বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বাজে ব্যবহার করে বলেন, কি বক্তব্য দিবো। মামলা হয়েছে, পারলে কিছু করেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শওকত আলী জাহিদ দৈনিক বাঙ্গালী সময়’কে জানান, প্রথম কথা হলো- সালথা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি অনুমোদিত না। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বলেছেন এ ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো অপরাধীর দায়-দায়িত্ব স্বেচ্ছাসেবকলী গ্রহণ করবে না, তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার বলেন, মামলা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে। সে জড়িত থাকলে তদন্তে চলে আসবে, জড়িত না থাকলে থাকবে না। সেই ক্ষেত্রে অপপ্রচার করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবে।
