শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বারের মতো ‘জিডিএন সাস্ট’ কর্তৃক ‘ন্যাশনাল স্কিলস ফেস্ট ২০১৯’ অনুষ্ঠানটি আয়োজনের প্রস্তুতির কাজ চলছে।
মার্চের ৯ তারিখ অনুষ্ঠানটি হতে পারে বলে আয়োজক কমিটি থেকে জানানো হয় । এই ফেস্টের মাধ্যমে নিজেকে যাচাই করার একটি সু্যোগ তৈরি করছে ক্যারিয়ার ভিত্তিক সংগঠন ‘জিডিএন সাস্ট’। তারা জানায় পুরো ফেস্টটি ৪ টি অংশে ভাগ করা হয়েছে।
১) প্রো-প্রেজেন্টার,
২)অনলাইন স্পিচ কম্পিটিশন,
৩)এপ্টিটিউড টেস্ট এবং
৪) স্কিল ডেভেলপমেন্টর উপর কর্মশালা।
প্রো-প্রেজেন্টার ২ টি পর্বে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথম পর্বে প্রতিযোগী দলগুলো ‘Bangladesh’s economic trajectory in the past decade’ বিষয়ের উপর ৩ তারিখ রাত ১২ টার মধ্যে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন (ppt file) জমা দিবে । জমাকৃত সবগুলো প্রেজেন্টেশনের মধ্যে প্রথম ১০ দলকে বাছাই করা হবে। বাছাইকৃত ১০ টি দল পরিবর্তি পর্বে অংশগ্রহণ করবে। এদের মধ্য থেকেই বাছাই করা হবে ১ম, ২য় ও ৩য় যাদের পুরষ্কৃত করা হবে ৮ হাজার, ৫ হাজার ও ৩ হাজার টাকা দিয়ে।
অনলাইন স্পিচ কম্পিটিশন্টিরও রয়েছে ২টি পর্ব। প্রথম পর্বে একজন প্রতিযোগী ‘If you were given a chance to be the next education minister of Bangladesh or get into the top policy making committee of the education ministry for a full term; how would you change the existing system and why?’ বিষয়ের উপর তার নিজের করা একটি ভিডিও জিডিএন সাস্টকে জমা দিবে। এই পর্ব থেকেও ১০ জনকে বাছাই করা হবে। ২য় পর্বে তাদেরকে নতুন একটা বিষয় প্রদান করা হবে এবং পুনরায় তাদেরকে ভিডিও বানানোর জন্য আহ্বান জানানো হবে। এই পর্যায়ে তাদের ভিডিও গুলো জিডিএন সাস্টের পেইজ থেকে আপ্লোড করা হবে। ১ম, ২য়, ৩য় বাছাই করা হবে তাদের ভিডিওর প্রচারণার উপর ভিত্তি করে এবং ৫ হাজার, ৩ হাজার ও ২ হাজার টাকা দিয়ে তাদের পুরষ্কৃত করা হবে।
আয়োজকরা আরো জানায়, ব্যাংক পরীক্ষা, আইবিএ, জিআরই, এর প্রশ্ন পদ্ধতিকে ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে এপ্টিটিউড টেস্ট।এর মাধ্যমে একজন পরিক্ষার্থী তার নিজের যোগ্যতাকে যাচাই করতে পারবে। অনুষ্ঠানটির শেষ অংশে থাকবে স্কিল ডেভেলপমেন্টর উপর একটি কর্মশালা। এই ফেস্ট সম্পর্কে জিডিএন(গ্র্যাজুয়েট ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্ক) এর প্রেসিডেন্ট জানান ‘আমি আশা করছি আসন্ন ন্যাশনাল স্কিলস ফেস্ট ২০১৯ কে সারা বাংলাদেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রিরা অংশগ্রহণ করে সফল করে তুলবে এবং আমাদের ভালো কাজগুলোকে উৎসাহ দিতে সবাই আমাদেত পাশে থাকবে।’
জিডিএন সাস্টের সহকারী কোষাধ্যক্ষ খালেদা আক্তার আঞ্জু জানায়, ‘২০১৫ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ‘জিডিএন সাস্ট’ টেন মিনিট স্কুল, বিসিএসে প্রথম সুশান্ত পাল, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ঝংকার মাহবুব, এভারজবসের পাশাপাশি আরো অনেকের সাথে কাজ করেছে ও বিভিন্ন ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছে।’
মোহাম্মদ জুবায়ের সিদ্দিকী অতনু
(শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেট)
