
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হলফনামা ও মনোনয়ন ফরমে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিজান তার নামের পূর্বে ‘অধ্যাপক’ উল্লেখ করছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি কখনো কোনো কলেজে ‘অধ্যাপক’ হিসেবে কর্মরত ছিলেন না। অথচ তার জীবন বৃত্তান্ত, দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রচারণার সর্বত্র তিনি উল্লেখ করেছেন ‘অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান’। এ ঘটনায় সোমবার সকালে নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রমাণসহ হলফনামায় ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের লিখিত অভিযোগ করেছেন ধামরাই উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোহাদ্দেস হোসেন।
জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০২ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সাভার কলেজের ভূগোল বিভাগে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন মিজানুর রহমান। কিন্তু হলফনামায় নিজের নামের পূর্বে তিনি ‘অধ্যাপক’ উল্লেখ করেছেন। মিজানের এমন ভুয়া পরিচয় নিয়ে একাধিক শিক্ষক, ভুগোল বিভাগের প্রাক্তন একাধিক শিক্ষার্থী ও স্টাফদের প্রতিবাদের মুখে সাভার কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম ও উপাধ্যক্ষ দিল আফরোজা শামীম ২৩ মার্চ লিখিতভাবে জানান, মিজানুর রহমান খণ্ডকালীন প্রভাষক ছিলেন। তিনি সাভার কলেজ কিংবা অন্য কোথাও অধ্যাপনা করেননি।
এ অভিযোগের জবাবে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘যিনি কলেজে পড়ান সেই তো অধ্যাপক। সবখানে অধ্যাপক লিখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই অধ্যাপক বাদ দিতে পারছি না।’
অভিযোগের বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন এবং আদালত ব্যবস্থা নিতে পারে।
