
মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় পেঁয়াজ এর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা কথা ভাবছেন পেঁয়াজ চাষীরা। এবার উপজেলায় দুই লাখ মেঃটন পেঁয়াজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। মাঠে চাষিরা তাদের পেঁয়াজ ক্ষেত পরিচর্যার শেষ পর্যায়ের কাজ চালাচ্ছে। কয়েকদিন পরেই শুরু হবে চাষিদের স্বপ্নের ফসল পেঁয়াজ ঘরে তোলার কাজ। পেঁয়াজ ঘরে রাখার লক্ষে বাঁশ দিয়ে বানা তৈরিতেও ব্যস্ত সময় পার করছে কারিকররা।
উপজেলার পেঁয়াজ চাষি খলিল মোল্লা, ওবায়দুর শেখ, ফরিদ মোল্লা ও দিপক মন্ডল জানান, গত বছর চাষিরা পেঁয়াজের ন্যায্যমুল্য পাওয়া এবছর আবাদ বেড়েছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ উত্তোলন শুরু হয়েছে। মাঠে পেঁয়াজ ক্ষেতের গঠন অনেক ভালো। কয়েকদিন পরেই শুরু হবে হালি পেঁয়াজ উত্তোলনের কাজ। বর্তমানে বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজের যে দাম তাতে চাষিদের লাভ হবে না। পেঁয়াজ উৎপাদণের খরচ অনুযায়ী প্রতিমণ পেঁয়াজ দুই হাজার টাকা হলে চাষিদের লাভ হবে। তানা হলে এই আবাদে কোন লাভ হবে না তাদের। আর বর্গা চাষিদের লোকসান গুনতে হবে। বাজারে পেঁয়াজের ন্যায্যমুল্যের দাবী জানান চাষিরা।
উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সুদীপ বিশ্বাস বলেন, এবছর সালথা উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এবার ফলন ভালো হবে। উপজেলায় এবার ২লাখ মেঃটন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫ মার্চ ২০২৫
