• বৃহস্পতি. এপ্রিল ৩০th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সখীপুরে শতাধিক লেবুগাছ কেটে জমি দখলে নিলো ভাগ্নেরা

অক্টো. 14, 2022

সখীপুরে শতাধিক লেবুগাছ কেটে জমি দখলে নিলো ভাগ্নেরা
”নিজস্ব প্রতিবেদক”
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মামাবাড়ির লেবুগাছ কেটে ভাগিনারা জমি দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন নানী সুফিয়া বেগম (৬৫)। উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় নাতি হামিদুল ইসলামের ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্য মেয়ের বাড়িতে উঠেছেন নানী সুফিয়া বেগম। এ নিয়ে স্থানীয়রা সালিশি বৈঠক করলেও সাম্প্রতিক লেবু বাগান কেটে জমি দখলে নিয়ে গেছে ভাগিনারা। সরজমিন গেলে দেখা যায়, দুই বছর আগে গড়ে ওঠা লেবু বাগানের এক শতাধিক লেবু গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। কিছু জমি ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করা হয়েছে। প্রতিবেদককে দেখে প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা বলেন, ওয়ারিশ নেয়ার কথা বলে লেবুগাছগুলো কেটেছে নাতি হামিদুল ও ফরহাদ গং। জমিটি মূলত মৃত আবেদ আলীর। তার অবর্তমানে এই সম্পত্তির মালিক ছেলে শফিকুল ইসলাম মিলন ও তিন মেয়ে। ভাইয়ের অনুপস্থিতিতেই জোর করে লেবুগাছ কেটে জমি দখলে যায় ভাগিনারা।

প্রতিবেশী আঃ খালেক মিয়া বলেন, এই জমিতে ভাগিনা আরিফ মিয়া ও হামিদুল ইসলাম যৌথভাবে লেবু বাগান করে। কিছুদিন পর তারা পৃথক হলে মোট খরচের অর্ধেক এক লাখ ২৩ হাজার টাকা হামিদুলকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তারপর হামিদুল ও ফরহাদ বলে আমরা আমাদের মামাবাড়ির ওয়ারিশের সম্পত্তি নিয়ে নেবো। এ সময় ফাতেমা ও হামিদাসহ তার ছেলেরা জমি পরিমাপ করে খুঁটি গাড়ে। আমিসহ অনেকেই বলি তোদের তিন বোন ও এক ভাইকে নিয়ে বসে একটি সিদ্ধান্ত নেই তারপর তোরা জমিতে যা। কিন্তু ওরা কোনো কথা না শুনে জোরপূর্বক লেবু বাগান কেটে ফেলে এবং কিছু জমিতে হালচাষ করে। সুফিয়া বেগম বলেন, আমার চোখের সামনে দুই নাতি লেবু বাগানটি কেটে জোরপূর্বক জমি দখলে গেল। আমি প্রতিবাদ করায় আমাকে ভয় দেখায়, মারতে আসে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমি এর বিচার চাই। অভিযুক্ত হামিদুল ইসলাম বলেন, বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার কথাটি মিথ্যা। উনার ছেলের বড়-এর সঙ্গে মিলে না তাই বাড়ি থেকে ছোট মেয়ের বাড়ি চলে গেছে। মূলত আমি ও আমার খালাতো ভাই আরিফ এই লেবুগাছ লাগাই। দুই বছর পর যখন লেবু বিক্রি করবো তখন মামা আমাকে টাকা দিয়ে বাগান থেকে বিদায় করে দেন। আর ওই জমিটি আমার মা হামিদা ও খালা ফাতেমার নামে। তাই কোর্টের উকিলদের সঙ্গে পরামর্শ করে জমিটি নিয়ে নিছি। তারপরও মামা আর মা-খালারা মিলেমিশে কিছু করলে আমরা তা মেনে নেবো। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মেজবা উদ্দিন বলেন, লোকমুখে শুনছি জমিটি দুই ভাগিনা খাইতাছে। লেবু বাগান কাটা ও কাউকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার বিষয় আমাকে কেউ কিছু জানায়নি।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments