
রাজিউল হাসান পলাশ : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো দেশের সর্ববৃহৎ ধামরাইয়ে শ্রী শ্রী যশোমাধবের রথের রশিতে টান দিয়েছে পুজারিরা। এই থেকে শুরু হলো ধামরাইয়ের রথ মেলা। আগামী ৯ জুলাই রথের উল্টো রশি টানের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে রথযাত্রা।
শুক্রবার (০১ জুলাই) বিকাল ৬টার দিকে ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে ৩৫১তম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে রথের এর কার্যক্রম শুরু হয়। এবার রথযাত্রা বা রথমেলায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা তৎপর রয়েছে।
জানা গেছে, ধামরাইয়ের মাধবমন্দির থেকে জগন্নাথ দেবের প্রতিমূর্তি ও মাধববিগ্রহসহ অন্য বিগ্রহ গুলো নিয়ে এসে রথখোলায় রথের ওপর মূর্তিগুলো স্থাপন করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান অতিথি রথযাত্রা উৎসবের জন্য পুরোহিতের হাতে প্রতীকী রশি প্রদান করা শেষে পাটের রশি ধরে টেনে শ্রী শ্রী যশোমাধবকে তার কথিত শ্বশুরালয় যাত্রাবাড়ী মন্দিরে নিয়ে যান। এসময় হাজার হাজার নারী-পুরুষ চিনি-কলা ছিটিয়ে যশোমাধবের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। যাত্রাবাড়ীতেই রথটি প্রতি বছরের মতো নয় দিন অবস্থান করবে। সেখানে মাধব ও অন্য বিগ্রহগুলো রথ থেকে নামিয়ে নয় দিন পূজা করা হবে কথিত মাধবের শ্বশুরবাড়ি যাত্রাবাড়ি মন্দিরে। তারপর উল্টো রথ টেনে আবার আগের জায়গায় আনা হবে। এই ধর্মীয় রথ উৎসবকে কেন্দ্র করে ও ইতিহাস খ্যাত বেড়ানোর জন্য প্রতিটি বাসগৃহে দূরদূরান্ত থেকে আত্মীয় স্বজন এসে ভীড় করছে।
এবার রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শাসসুল আলম, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম কে দোরাইস্বামী, বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা- ২০ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন সরদার, ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লাসহ অনেকেই।
