“কল্যাণ একটি ব্রত, আমরা কল্যাণের ব্রতচারী” -এই স্লোগান নিয়ে মুন্সীগঞ্জ বাগমামুদালী পাড়ার সংগঠন “কল্যাণ সমিতি” মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে গৃহবন্দি অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে। মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে বাগমামুদালী পাড়ায় এই কার্যক্রম চালাচ্ছে সংগঠনটি।
১০ এপ্রিল শুক্রবার বাগমামুদালী পাড়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় ২০০ সুবিধা বঞ্চিত ও স্বল্প আয়ের পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ, লবন, সাবান মিলিয়ে ১১ কেজির একেকটি প্যাকেজ বিতরন করা হয়েছে।
খাদ্যদ্রব্য কর্মসূচির সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন কল্যাণ সমিতির পবন সাহা, পলাশ সাহা, পাপ্পু সাহা। এছাড়া কর্মসূচি সহায়ক হিসাবে ছিলো নিতাই হাজরা, হীরা সাহা, মিঠু সাহা, খোকন সাহা, আকাশ সাহা, সজীব দাস, রনি সাহা, শুভ দাস, শচীন সাহা, উদাস সাহা, জীত , নীরব, তীর্থ, পাপ্পু, পুলক, শান্ত, মুগ্ধ ও কল্যাণ সমিতির সকল স্বেচ্ছাসেবী সদস্যবৃন্দ।সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কবি মাসুদ অর্ণব, মৃণাল কান্তি বিশ্বাস ও দিপু সাহা অভি।
এর আগে করোনা সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে কল্যাণ সমিতি বাগমামুদালী পাড়ার ২০০ পরিবারের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক বিতরণ করে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরন কর্মসূচীর সমন্বয়ক ছিলেন মিথুন সাহা অপু ও ডাঃ কুমার মৃদুল দাস।
এই কার্যক্রম সম্পর্কে কল্যাণ সমিতির জ্যেষ্ঠ্য সংগঠক মৃণাল কান্তি বিশ্বাস বলেন- সামাজিক দূরত্ব কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আমরা খাদ্য স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি। সারা দুনিয়াজুড়ে করোনার সঙ্গে যুদ্ধে আছেন চিকিৎসক, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীবৃন্দ। তাদের সঙ্গে আমরাও আমাদের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও কল্যাণ সমিতি মানুষেরপাশে থাকার চেষ্টা করবে।
কল্যাণ সমিতির সদস্য ছাড়াও দেশে এবং প্রবাসে যারা এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সর্বাধিক সহযোগীতা করেছে আমরা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
