• শুক্র. অক্টো. ৯th, ২০২৬

সময় নিউজ

অনলাইন বাংলা নিউজ

সালথা বাজারে নির্মাণাধীন সেতু পরিদর্শনে সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী ও ইউএনও

এপ্রিল 13, 2026


মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা সদর বাজারের প্রাণকেন্দ্রে কুমার নদের ওপর নির্মাণাধীন স্বপ্নের সেতুর অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে তারা সরেজমিনে নির্মাণকাজ পরিদর্শন করে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি, কাজের মান ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

পরিদর্শনকালে ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা নির্ধারণের জন্য পরিমাপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সড়কের পাশবর্তী জমির মালিকদের উপস্থিত থেকে নিজ নিজ জমির সীমানা বুঝে নেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “উচ্ছেদ অভিযানের সময় যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা দাবি-দাওয়ার সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আগেভাগেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “এই সেতুটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি সালথাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না। সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।”

এ সময় তিনি আশপাশের দোকান মালিক, জমির মালিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে,ফরিদপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার জানান, প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০.২ মিটার প্রস্থের আধুনিক এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১৮ মাস সময় লাগবে। তিনি বলেন, “এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সড়ক ও জনপদের অধীনে থাকা অবৈধ দখলকৃত জমি দ্রুত উদ্ধার করা হবে এবং নির্মাণকাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুটির নির্মাণ সম্পন্ন হলে সালথা সদর বাজারসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে এবং সামগ্রিকভাবে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

১৩ এপ্রিল ২০২৬

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.