
রাজিউল হাসান পলাশ: ৯০ এর গণ অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটিয়েছিলো জনগণ। সেই সময়েও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতেই জনগণ রাজপথে নামে। ২৪ সালের ছাত্র জনতার আন্দোলনও ছিলো জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। জনগণের ভোটের অধিকার দ্রুত প্রতিষ্ঠিত করুন না হলে এদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হবে।
সোমবার (২৪ মার্চ) ঢাকার ধামরাই উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান অভি।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারদের এদেশের মানুষ বার বার বিতাড়িত করেছে। গত সতের বছর পতিত স্বৈরাচার সরকার রাতের ভোট দিয়ে নিজেদের ক্ষমতায় রেখেছিলো। এদেশের মানুষকে নির্যাতন করেছে তারা। বিএনপির কর্মীদের হামলা মামলা দিয়ে ঘরে থাকতে দেয়নি। সেজন্যে দেশের জনগণ নিজেদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ২৪ এর জুলাই মাসে গণ অভ্যুত্থান ঘটায়।
অভি বলেন,পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে,সেই জনগণের সরকারের মাধ্যমেই দেশে পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। এই নেতা বলেন,গণতন্ত্রকে কোনোভাবেই নস্যাৎ করতে দেওয়া হবে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করব।
পরিশেষে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের মণিকোঠায় স্থান নিন। জনগণ ভোটের অধিকার না পেলে আবারও আন্দোলন করতে দ্বিধা করবেনা।
সুয়াপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওমর আলীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা, আব্দুল মান্নান ফিরোজ, শাওন আহমেদ শাওন, রাশেদ মিয়া, পারভেজ পাঠান, রিজভী, শায়েখ প্রমুখ।
