
রাজিউল হাসান পলাশঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ মোফাজ্জল হোসেন পরম যত্নে লালন পালন করে বড় করেছেন কালো রঙের ষাঁড়টিকে। শখ করে নাম রেখেছেন ‘তুতুল বাহাদুর’। ষাঁড়টির ওজন এখন প্রায় ৩৫ মণ। সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতা, লম্বা সাড়ে ৮ ফুট।
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের জালসা গ্রামে বাড়ি মোফাজ্জল হোসেনের। মোফাজ্জল ও তার স্ত্রী সন্তান মিলে চার বছর ধরেই পালছেন গরুটিকে।
ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রতিদিনই গরুটিকে দেখতে মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িতে ভিড় করছেন অসংখ্য মানুষ। গত বছর গরুটি বিক্রি করতে চেয়েছিলেন মোফাজ্জল। দাম কম উঠার কারণে বিক্রি হয়নি গরুটি।
জালসা পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমি আসছি গরুটা অনেক বড় তাই দেখতে। শুনি যে, গরুটা অনেক দেহার মতো। কিন্তু আমি এত দিন দেখি নাই এই প্রথম দেখলাম। নাম তুতুল বাহাদুর। আইসা দেখলাম, মাইনসে যা কইছে তার থাইকা গরুটা অনেক বড়। আমার মনে হয়, গরুটা ৩৫-৪০ মণ ওজন হইব। এ রকম গরু মনে হয় পুরা ধামরাই থানায় নাই।’
তুতুল বাহাদুরের মালিক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, এটার চার বছর বয়স। বাড়িতে নিজের গাভি থেকে এটা হইছিল। জন্মের সময় ওইটা খুব সুন্দর হয়েছিলো। তখনই বলছি ওইটা অনেক দিন পালবো। আমার বাড়িতে ওই রকম গরু আর ছিল না। সুন্দর একটা গরু দেইখাই ওইটা শখ করে পালছি।
‘গত বছর গরুটার দাম আশানুরূপ উঠে নাই আমি একজন শিক্ষক এখন আমি এটার পেছনে সময় কম দিতে পারি, আমার আশা তো শেষ। এখন তো গরুটা বিক্রি করতে হবে। মোটামুটি আমার আশা ৮ লাখ টাকা হলে গরুটি বিক্রি করবো।’
এটাকে সাধারণ খাবার খাওয়াই তাই আমার উৎপাদন খরচ কম এজন্যে আমি দাম কমই চাচ্ছি। মানুষ বলে, ট্যাবলেট খাওয়ায়, ইনজেকশন দিয়া মোটাতাজা করা যায়। আমি খাওয়াই নাই। যদি অসুখ হয়, তাহলে এমনে ওষুধ খাওয়াই।’ গরুটি ক্রয় করতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে ০১৮১১-৮৮৯৭৯৭।
