মাহে রবিউল আউয়াল ও মিলাদুন্নবী( স:)উপলক্ষে ইতালীস্থ বৃহত্তর সিলেট ইসলামী সমাজের উদ্যোগে রাজধানী রোমের তুরপিনাতারাস্থ রসই রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
নাজমুল আহসান তুহিন : আলেচনা ও মিলাদ মাহফিলে মো: ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও হাফেজ মাওলানা মো: মিছবাহ উদ্দীনের প্রানবন্ত সন্চালনায় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত মরহুম আল্লামা ফুলতলী (দ:) সাহেবের সুযোগ্য উত্তরসূরি আন্জুমানে খেলাফতে ইসলাহ এর সন্মানিত সভাপতি হযরত মাওলানা ছামসুদ্দিন আহমেদ ফুলতলী সাহেব। এ আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মঁধ্যে বক্তব্য রাখেন মো: পিয়ার আলী জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি অলি উদ্দিন শামিম, জালালাবাদ যুব সংঘের সভাপতি জায়েদুল হক মুকুল, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ও হাফেজ মাওলানা মিখাইল হোসেন প্রমুখ ।
প্রধান অতিথীর বক্তব্যে মাওলানা ছামসুদ্দিন ফুলতলী বলেছেন আল্লাহ নিজে বলেন, যে নবী হযরত মুহাম্মদ( স:)কে মানতে পেরেছে সে আমি আল্লাহকেও মানতে পেরেছে।যারা নবীজীর হাতে হাত রেখেছেন তারা আল্লাহর হাতে হাত রযেখেছেন তিনি বলেন দুনিয়ায় সৃষ্টির সেরা জীব হলো মানব জাতি আর মানব জাতিরর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব আল্লাহর দোস্ত আল্লাহফর প্রিয়বান্দা হযরত মুহাম্মদ (স:)যাকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ তায়ালা আসমান জমিন গ্রহ নক্ষত্র কিছুই সৃষ্টি হত না। সেই নবীর উম্মত হলাম আমরা ।আল্লাহ বলেন এই নবীর সুপারিস ছাড়া কেহ জান্নাত প্রবেশ করতে পারবেনা । সুতরাং ইহকালে শান্তি ও পরকালে মুক্তি পেতে হলে আমাদের চরিত্র বদলাতে হবে মিথ্যা কথা ছাড়তে হবে নবী হযরত মুহাম্মদ(স:) এর জীবন দর্শন অনুসরন করে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে হবে।তা হলেই আমরা ইহকালে শান্তি ও পরকালে মুক্তি লাভ করতে পারব ইনশাল্লাহ।
সভা শেষে দুনিয়া ও আখেরাতের শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন আল্লামা ফুলতলী সাহেব।মোনাজাত শেষে সম্নানিত অতিথীকে জালালাবাদ এসোসিয়েশন ও ইসলামী যুব সংগ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয় । সর্ব শেষে এক নৈশভোজের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষিত হয়।
