
রাজিউল হাসান পলাশ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান লাভ করেছেন ঢাকার ধামরাই উপজেলার কৃতি সন্তান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এ মামুন।
২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী সেরা বিজ্ঞানীদের মধ্যে শতকরা দুইভাগ (টু পার্সেন্ট) বিজ্ঞানীদের নিয়ে প্রকাশিত তালিকায় অধ্যাপক ড. এ এ মামুন স্থান লাভ করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের বরাত দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একটি অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, অধ্যাপক ড. এ এ মামুনের এ সম্মান বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ও সুনাম আরও বৃদ্ধি করেছে। তাঁর এ গৌরবে বিশ্ববিদ্যালয় ঋদ্ধ হয়েছে। উপাচার্য খ্যাতিমান বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ এ মামুন-এর উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘ কর্মময় জীবন কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাপক ড. এ এ মামুন কমনওয়েলথ স্কলারশীপ নিয়ে ইংল্যান্ডের সেন্ট এ্যান্ড্রুস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি জামার্নির হোমবোল্ট পোস্টডক ফেলো। তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স কর্তৃক জুনিয়র ও সিনিয়র গ্রুপে স্বর্ণপদক লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি জার্মানি থেকে অতি সম্মানজনক ‘ব্যাসেল রিসার্চ এ্যাওয়ার্ড’ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বর্তমান পর্যন্ত একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে অধ্যাপক ড. এ এ মামুন এ গৌরব অর্জন করেন। বিশ্বের খ্যাতনামা গবেষণা জার্ণালে তাঁর প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৪১৭।
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামে অধ্যাপক মামুনের জন্ম। কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক দরবেশ আলীর সন্তান তিনি। কুশুরা আব্বাস আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকেই এসএসসি এবং সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের ১৩ তম ব্যাচের এই ছাত্র কৃতিত্বের সাথে অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় তাঁর নাম আসার খবর পাওয়ার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ধামরাই সহ সারা বাংলাদেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা আসতে থাকে। বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের জন্য এটি একটি মাইলফলক বলে মনে করেন অনেক শিক্ষাবিদ।
